নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৯৭৬ সালের কলকাতা পুস্তকমেলা-ই আজকের আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তকমেলা। ১৯৮৪ সালে এই বইমেলা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করে। বারোদিন ধরে প্রতিবছর এই বইমেলা হয়ে ওঠে বইপ্রেমীদের দুর্গাপুজো। ঠিক এই কারণেই কলকাতা বইমেলাকে বলা হয় বাঙালির চতুর্দশ পার্বণ। কলকাতা বইমেলা বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলা। কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এই মেলা একটি বিশেষ স্থানের অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ ‘পুলিশের এরকম নির্লজ্জ চরিত্র আমি আগে দেখিনি’ পুলিশকে দুষে বিস্ফোরক মদন
আর এই বছর আজ ২৮ এ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে কলকাতা বই মেলা। শেষ হবে ১৩ মার্চ। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে সন্ধে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলাপ্রাঙ্গণ। সমস্ত কোভিডবিধি মেনেই মেলা আয়োজিত হবে বলেই জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে গিল্ডের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে বইমেলার আয়োজন করা খুবই চ্যালেঞ্জের। মাস্ক ছাড়া কোনওভাবেই প্রবেশ করা যাবে না মেলা প্রাঙ্গণে। ২০২২ সালে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ।

উদযাপিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষ। পালিত হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর।এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের ৪২ জন প্রকাশক। থাকছে ৮৫টি বাংলাদেশি স্টল। এছাড়াও থাকবে ২০০টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল। মেলার মোট স্টলের সংখ্যা ৬০০। বইমেলায় থাকছে মোট ৯টি গেট।

আজ থেকে শুরু কলকাতা বই মেলা, জানুন কোভিড কালে কি নিয়ম মানতে হবে
বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নিচ্ছেন ব্রিটেন, আমেরিকা, রাশিয়া, ইতালি, ইরান, স্পেন, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো এবং আরও বেশকিছু লাতিন আমেরিকান দেশের প্রকাশকরা। পাশপাশি রাজ্য তথা দেশের ভিন্ন প্রকাশকরাও অংশ নিতে চলেছেন মেলায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৩ ও ৪ মার্চ বাংলাদেশ দিবস উদযাপিত হবে কলকাতা বইমেলায়। ৬ মার্চ উদযাপন করা হবে শিশুদিবস। ১১ এবং ১২ মার্চ উদযাপিত হবে কলকাতা লিটারেচর ফেস্টিভ্যাল।



