নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যজুড়ে হুহু করে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। শুরু হয়েছে আংশিক লকডাউন সাথে একাধিক কঠোর করোনা বিধি। জনগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে প্রশাসন। জোর কদমে চলছে টিকাকরণ। কিন্তু এরই মাঝে স্থগিত করে দেওয়া হয়েচে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র (Kiff 2022) উৎসব কে। তাই প্রশ্ন উঠেছে করোনা আবহে জানুয়ারিতেই কি বইমেলা হবে?
আরও পড়ুনঃ পজিটিভিটি রেট মাত্র ৬ শতাংশ, অভিষেকের উদ্যোগে ৫ হাজার টেস্ট সম্পূর্ণ সকাল ১১টার মধ্যেই।


পূর্ব নির্ধারন অনুযায়ী জানুয়ারি মাসেই সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলকাতা বইমেলা (Kolkata Book Fair)। ৩১ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফ্রেরুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা এই বইমেলার। এবারের থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ। কথা আছে বইমেলার প্রাঙ্গনে উদযাপিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম শতবর্ষ। সাথে পালিত হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু-র ১২৫তম জন্মবর্ষ, সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ এবং ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর।

কিন্তু বাদ সেধেছে করোনাভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর প্রদত্ত বুলেটিন বলছে গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৬৫ হাজার ২১০ টি টেস্ট হয়েছে। যাতে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৯৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। সার্বিক ভাবে সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.২০ শতাংশে। ১৫ দিন আগেই রাজ্যে সুস্থতার হার ছিল ৯৮ শতাংশের ওপরে। অর্থাৎ গত ১৫ দিকে কোভিডে সুস্থতার হার কমেছে ৫ শতাংশের মত। এই পরিস্থিতিতে বইমেলার ভবিষ্যৎ কি হবে তা নিয়ে চিন্তিত বই প্রেমীরা।



কারন গত বছর করোনার কারণে বইমেলা হয়নি। এবছর কি হবে তা নিয়ে তৈরী হয়েছে সংশয়। বুকসেলার্স অ্যান্ড পাবলিশার্স গিল্ডের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বইমেলা হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। শারীরিক দূরত্ব-সহ মেনে চলতে হবে যাবতীয় কোভিড বিধি। গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্য়ায় জানিয়েছেন, ‘আমরা সমস্ত আয়োজন করে রেখেছি। মানুষজনকেও বলছি, মেলায় প্রবেশ করতে গেলে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়া আবশ্যক। কিন্তু সেটাই বা কতটা নির্ভরযোগ্য বা যুক্তিযুক্ত হবে? তা নিয়ে চিন্তায় আছি’।
করোনা আবহে জানুয়ারিতেই কি বইমেলা? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রস্তাব দিল গিল্ড

যদিও, বইমেলা আয়োজন করা যে অত্যন্ত প্রয়োজন, সেকথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে গিল্ড সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই। বুকসেলার্স অ্যান্ড পাবলিশার্স গিল্ডের তরফে বলা হয়েছে সরকার চাইলে পিছিয়ে দিতে পারে এবারের বইমেলা। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যে মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে গিল্ডের পক্ষ থেকে।







