শেষ ২০১৪ সালে নভেম্বর- ডিসেম্বরে অবিভক্ত জম্মু-কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচন। তারপর কেটে গেছে বহুকাল। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে জম্মু- কাশ্মীরের ৩৭০ অনুচ্ছেদটি বাতিল করে কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার বিলোপ করেছিল মোদী সরকার। রাজ্যের মর্যাদা লোপ পায়। হয়ে যায় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। তিন বছর আগে সেই সরকার ভেঙে গেছে। কোন নির্বাচিত সরকার ছাড়াই চলছে প্রশাসনিক কাজকর্ম।

আরও পড়ুন : ৫৮ বছর বয়সে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলেন সিধু মুসেওয়ালার মা, ছেলে হল না মেয়ে?
বিগত ৫ বছরে ভুস্বর্গে এসেছে অনেক পরিবর্তন। আধুনিক পরিকাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে না জম্মু- কাশ্মীরে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার লোকসভার সঙ্গেই ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা করলেও জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা করল না।

এর কারণ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন যে নিরাপত্তার কারণে করা যাচ্ছে না নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচন শেষ হলেই জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করা হবে যখন পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জোগান থাকবে। কারণ কাশ্মীরে ভোট হলে প্রতিটি প্রার্থীর সঙ্গে একজন করে নিরাপত্তারক্ষী দিতে হবে। কাশ্মীরে ভোট হলে সন্ত্রাসের সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্তির ৫ বছর, লোকসভার সঙ্গে হল না ভুস্বর্গে বিধানসভা!
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে জম্মু- কাশ্মীরে সংশোধন করা হয়েছিল জম্মু- কাশ্মীর রি- অর্গানাইজেশন অ্যাক্ট। তারপর থেকেই চলছে ভুস্বর্গে ভোট প্রস্তুতি। জম্মু ও কাশ্মীরের আসন পুনর্বিন্যাসের দায়িত্বে থাকা ‘ডিলিমিটেশন কমিশন’-এর রিপোর্টের ভিত্তিতে গত বছর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা আসনসংখ্যা ৮৩ থেকে বাড়িয়ে ৯০ করা হয়েছিল। যদিও অভিযোগ উঠেছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বাড়ানো হয়েছে আসন সংখ্যা। কিন্তু ভোট নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেল।



