নজরবন্দি ব্যুরো: ক্রমশ ঘনাচ্ছে কসবায় ছাত্রমৃত্যুর রহস্য! একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে এই মৃত্যুর ঘটনায়, এর আগে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করা হয়েছিল হাইকোর্টে! তারপরেই চলতি সপ্তাহেই হাইকোর্টের বিচারপতি রহস্য-মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে কলকাতার নগরপালকে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই স্কুলে ছাত্র-মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে চালু হয়েছে কসবার ওই স্কুল।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro: বৃহস্পতিবার কম চলবে মেট্রো, ছুটির দিনে পরিষেবা শেষ মেট্রো কটায়?


জানা গিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন স্কুল বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। আর তারপর থেকেই পুলিশের নির্দেশে স্কুল বন্ধই ছিল। কিন্তু আবার প্রায় ১ মাস পরে খুলে গিয়েছে কসবার ওই বন্ধ স্কুল। এপ্রসঙ্গে অধ্যক্ষা সুচরিতা রায়চৌধুরী বলেন, ‘‘ক্লাস শুরু হয়েছে। আগের মতোই আবার স্কুল চলছে।’’ কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখন স্কুলের সামনের গেট বন্ধ রয়েছে। ফলে পিছনের গেট দিয়ে পড়ুয়ারা বেড়াচ্ছে। যদিওবা স্থানীয়দের অভিযোগকে অস্বীকার করে অধ্যক্ষার দাবি, স্কুলের সামনের গেট-সহ সব গেট খোলা রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার কসবা রথতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি স্কুল স্কুল চলাকালীন স্কুলের ৫ তলা থেকে পড়ে যায় দশম শ্রেণির এক ছাত্র। এরপরেই তড়িঘড়ি করে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু কিভাবে ওই ছাত্র পড়ে গেল? কিভাবে মৃত্যু হল ওই ছাত্রের? একাধিক প্রশ্ন উঠছে! রীতিমত ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য!



যদিওবা এই ঘটনায় ছাত্রের বাবার অভিযোগ, তাঁর ছেলের উপর প্রথম থেকেই একাধিক কারণে ক্ষোভ ছিল স্কুল কর্তৃপক্ষের। একটি প্রজেক্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল ওই ছাত্রের। দিতে পারেনি বলে ওকে খুব বকাবকি করা হয়েছিল। কান ধরে দাঁড় করিয়েও রাখা হয়েছিল সবার সামনে। আর এতেই খুব অপমানিত বোধ করেছিল। শিক্ষক ওর উপর মানসিক চাপ দিতেন মৃত ছাত্রের বাবার দাবি, “আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছে।”
অধরা ছাত্রমৃত্যুর রহস্য, খুলল কসবাকাণ্ডের জেরে বন্ধ স্কুল









