নজরবন্দি ব্যুরোঃ কর্ণাটকে ২২৪টি আসনে চলছে ভোটগণনা। ৩৬টি গণনা কেন্দ্রে ২ হাজার ৬১৫ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। ম্যাজিক ফিগার ১১৩। কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে কার পাল্লা ভারী? কে হাসবে শেষ হাসি। কুমারস্বামীর জেডিএস কি ফের ক্ষমতা নির্নায়কের ভূমিকায়? এই প্রশ্নগুলো নিয়ে শুরু হয়েছিল সকাল। কিন্তু বেলা যত বাড়ল তত চিত্র পরিষ্কার হল।
আরও পড়ুনঃ কর্নাটকে নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান কাজ করছে! ট্যুইটে দাবি কুণালের
কর্নাটকে বিজেপিকে পিছনে ফেলে অনেকটা এগিয়ে গেছে কংগ্রেস। এই মুহুর্তে ১৩০ টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। বিজেপি এগিয়ে ৬৯ টি আসনে। মোট ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় ক্ষমতায় আসতে দরকার ১১৩ টি আসন। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ১৩০ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। জয় নিশ্চিত বুঝে মিষ্টি বিলি শুরু হয়েছে কংগ্রেস পার্টি অফিস গুলোতে।
পরাজয় স্বীকার করলেন বোম্মাই
#WATCH | In spite of a lot of efforts put in by PM & BJP workers, we've not been able to make the mark. Once the full results come we'll do a detailed analysis. We take this result in our stride to come back in Lok Sabha elections: Karnataka CM Bommai#KarnatakaElectionResults pic.twitter.com/ftNLsV5HHG
— ANI (@ANI) May 13, 2023
এদিকে পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে হার স্বীকার করে নিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। ভোটের ফল প্রসঙ্গে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপি কর্মীদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমরা দাগ কাটতে পারিনি। পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ হলেই আমরা পর্যালোচনা করব।” অন্যদিকে ‘জয় নিশ্চিত’ বুঝে মিষ্টি বিতরণ করলেন ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল।

কর্নাটকে এগিয়ে থাকা প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া দাবি করলেন, কর্নাটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়ছে কংগ্রেসই। তিনি বলেছেন, “আগেই বলেছিলাম যে, প্রধানমন্ত্রীও যদি আসেন, তা হলেও কিছু হবে না। দেখুন কী হল। আমরা ১২০টি আসনে এগিয়ে রয়েছি। প্রত্যাশা মতোই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরাই সরকার গড়ব।”
কর্নাটকের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া

উল্লেখ্য, এদিনের জয় প্রসঙ্গে সিদ্দারামাইয়ার ছেলে যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিজের বাবার নাম উল্লেখ করেন। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, “একজন ছেলে হিসাবে আমি অবশ্যই নিজের বাবাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাইব। তবে একজন রাজ্য়বাসী হিসাবেও বলব, কংগ্রেস শেষবার যখন ক্ষমতায় এসেছিল, সেই সময় রাজ্যে সুশাসন ছিল।”



