নজরবন্দি ব্যুরোঃ কান্তারা ছবির অভিনয় দেখে গায়ে কাঁটা দেয়নি এমন খুব কম মানুষের হয়েছে। কান্তারা ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় ঋষভ শেঠি। যার অভিনয় রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছে। বলিঊডের অ্যাকশন হিরোরাও তাঁকে দেখে মুগ্ধ। সমালোচকদের থেকে দারুন প্রসংশা পেয়েছে এই ছবি। শুধু তাই নয়। বক্স অফিসেও রীতিমত নজর কেড়েছে এই ছবি। ৪০০ কোটির বাজেট পেরিয়ে গেলেও অভিনয় নিয়ে কোন মাতামাতি নেই অভিনেতার।
ঋষভ অভিনয় করেছেন সপ্তমী গৌড়া এবং কিশোর হিসেবে। তিনিই এই ছবির পরিচালনা করেছেন এবং গল্প লিখেছেন। এই ছবিতে কর্ণাটকের সমুদ্রের পাড়ের গল্প এবং সেখানকার স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস এবং জমি রাজনীতির কথা বলে। এই ছবি তাঁকে অভিনয় শিখিয়েছে এমন্টাই মনে করেন তিনি। এক অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিতে গিয়ে তিনই বলেন এক ভয়ানক কথা। ছবিতে তাঁর মানসিক অবস্থা মাঝেমাঝে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে মানুষকে খুন করে দেওয়ার চিন্তাও এসেছিল তাঁর মাথায়। কেন এমন বলেন অভিনেতা?

কান্তারা ছবির শেষ অংশের আগে যখন দেখা যায় প্রত্যেকে তাঁকে কাঠ-আগুন দিয়ে ধাওয়া করছে, তাঁকে মারার চেষ্টা করছে, সে সময়ের শুটিং করতে গিয়ে রীতিমতো মানসিক পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। এসময় অভিনয়ের কোন ক্ষতি হোক তা তিনি চাননি, এজন্য কোন ড্যামির সাহায্য তিনি নেননি। বার বার গায়ের ওপর এসে লাগছিল জ্বলন্ত কাঠ, পুড়ে জ্বলে যাচ্ছিল শরীরের বিভিন্ন অংশ। তবু থামিয়ে দিতে পারছিলেন না শুটিং।
সত্যি মানুষ মেরে ফেলতাম, কেন এমন বললেন কান্তারা অভিনেতা

একটা সময় এতটাই কষ্ট হচ্ছিল শরীরে তখন যে রীতিমতো রেগে গিয়েছিলেন তিনি, পর্দায় তা অভিনয় বলে মনে হলেও বাস্তবিক তিনি খুনের মতো কাজ করে ফেলতে পারতেন যে কোন মুহূর্তে। কিন্তু সেই মুহূর্তে একদম আসল অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছিল পর্দায়। নিজে শারীরিক ক্লেদ সহ্য করেও স্নায়ুকে নিয়ন্ত্রন করে গেছেন। এমনকি শুটিং থেকে ফিরে সেদিন রাতে তিনি ভাল করে ঘুমতেও পারেননি, গায়ে এতটাই অসহ্য যন্ত্রণা হয়েছিল। ফলত বক্স অফিসের সাফল্য যে ঋষভের পরিশ্রমকে মর্যাদা দিয়েছে তা বলাই যায়।



