সুজিত মন্ডল, পূর্ব মেদিনীপুরঃ মুক্তির স্বাদ পেলাম, দিদির দিন শেষ! বহিষ্কৃত হয়ে মিস্টি বিতরণ করলেন কনিষ্ক! বহিষ্কৃত হয়েছেন তৃণমূলের পুর্ব মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক কনিষ্ক পণ্ডা। এদিনই কনিষ্ক পণ্ডাকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। দলবিরোধী কাজের জেরেই তাঁকে বহিষ্কার করা হল বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি সুব্রত বক্সি। এদিকে কনিষ্ক গেরুয়া রং-এ রাঙিয়ে নিয়েছেন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়!
আরও পড়ুনঃ ফের হত্যা রাজ্যে, এবার চোখ উপড়ে নেওয়ার চেষ্টা! ২৪ ঘন্টায় ২ বিজেপি কর্মী খুন বাংলায়।
শুভেন্দুর টানাপোড়েনের মাঝে তৃণমূলের যে নেতারা তাঁর পাশে দাড়িয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল জেলা সম্পাদক কনিষ্ক পণ্ডা। শুভেন্দু-র শুধু পাশেই দাঁড়ানো নয়, প্রকাশ্যে দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন তিনি। গেরুয়া রং-এ রাঙিয়ে নিয়েছেন দলিয় পার্টি অফিস কে। এদিন বহিষ্কারের খবর পেয়ে বিস্ফোরণ ঘটান কনিষ্ক।
মুক্তির স্বাদ পেলাম, দিদির দিন শেষ! তিনি বলেন রং পরিবর্তন শিখেছি দল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে।দল ছাড়তে প্রস্তুত ছিলাম। দলে অনেক অনৈতিক কাজ হচ্ছিল। তার প্রতিবাদ করেছিলাম, তাই আজ আমি শান্তি পেলাম। কনিষ্ক পণ্ডাকে বহিষ্কার করার খবর আসতেই তিনি অনুগামীদের মধ্যে মিস্টি বিতরণ করেন। তিনি বলেন মুক্তির স্বাদ পেলাম। তাঁর কথায়, যেদিন বহিস্কারের লেটার হাতে পাবেন সেদিন জেলার সকল অনুগামীদের মিস্টি মুখ করাব।
নিজেই দল ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। উল্লেখ্য, শনিবার কনিষ্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আক্রমণ করে বলেন, “দিদির সব কিছু ঢপ। দিদির স্বাস্থ্যসাথী ঢপ। যখন হাসপাতালে নিয়ে যাবেন তাড়িয়ে দেবে। দিদির কাছে কোনও টাকা নেই। দিদির যা ঋণ আছে ঢেকে দিলেও ঋণ শোধ হবে না। বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছেন শুভেন্দুকেই দরকার। আর ত্যাগ বলতে গেরুয়া।” এখানেই থামেন নি তিনি, তাঁর কথায়, “যতদিন না নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এই শুভেন্দু অধিকারী সহায়তা কেন্দ্র চালু থাকবে।”
শুভেন্দু ঘেঁষা নেতা কনিষ্ক আরও বলেন, “দিদি রেডি হোন। মেদিনীপুরের গামছা পরা,পান্তাভাত খাওয়া ছেলেটা আপনার বিরুদ্ধে লড়বে।” পাশাপাশি শুভেন্দু কে নিয়ে এবং দলত্যাগ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “শুভেন্দু অধিকারী কোনওভাবে পদের লোভী নন। তাছাড়া আমি কোনদিন তৃণমূল করিনি। আমি শুভেন্দুর দল করি। শুভেন্দু যেখানে, আমিও সেখানে।



