নজরবন্দি ব্যুরো: কামদুনি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে রাজ্য। উচ্চ আদালতের রায়ে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতির এজলাসে দ্রুত শুনানির আবেদন করা হয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের তরফে সব পক্ষের অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়ে নোটিস জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য


কামদুনি মামলায় শুনানি না করে সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকার করে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তরা বেকসুর খালাস হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তবে ‘সুপ্রিম’ যুক্তি, কোনও আদালত একবার মুক্তি দেওয়ার পর বিনা শুনানিতে সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে না। এটি আইনসম্মত নয়। পাশাপাশি সাত দিনের মধ্যে এই মামলার সব পক্ষকে নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ কামদুনি মামলার রায় দান করে। হাইকোর্টের রায় মেনে নিতে পারেনি রাজ্য। তারা সেইসময়েই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা বলে।

জানা যায়, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার সময়ে যারা প্রতিবাদী ছিলেন তাঁরাও হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করবেন। তাঁরা বর্তমানে মামলার সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করছেন। এই মামলাটি ফাইল হয়ে গেলে চলতি সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।



২০১৩ সালের ৭ জুন উত্তর ২৪ পরগনায় কামদুনি এলাকায় এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তভার নেয় সিআইডি। দশবছর পর গত শুক্রবার হাইকোর্টে রায়দান হয়। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ দুই আসামীর ফাঁসির সাজা মকুব করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। এমনকি কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। এই মামলায় হাইকোর্টের রায় নিয়ে তীব্র অসন্তুষ্ট নির্যাতিতার পরিবার ও প্রতিবাদীরা।
কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে এখনই স্থগিতাদেশ নয়, নোটিস জারি করল Supreme Court









