নজরবন্দি ব্যুরো: কামদুনি মামলায় রায় ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। যা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। কামদুনিকাণ্ডের দুই প্রতিবাদী মুখ মৌসুমি কয়াল ও টুম্পা কয়াল আগেই তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সেইমতই বুধবার দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তাঁরা। এদিন বিমানবন্দরে দাঁড়িয়েই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: ফের অ্যাকশনে ED, পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ১১ জায়গায় হানা
কামদুনিকাণ্ডে নিম্ন আদালত ৬ জনের সাজা ঘোষণা করেছিল। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় আসামীরা। গত সপ্তাহে ডিভিশন বেঞ্চ দুই আসামীর ফাঁসির সাজা মকুব করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। রায়দানের পরই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পরেন কামদুনি কাণ্ডের প্রতিবাদে অন্যতম মুখ মৌসুমী কয়াল ও টুম্পা কয়াল। মঙ্গলবার কলকাতার রাজপথে মিছিল করে কামদুনির প্রতিবাদীরা। তার আগের দিনই অর্থাৎ সোমবার হাইকোর্টের নির্দেশ মত চারজনকে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

গত সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও দেখা করেন, টুম্পা ও মৌসুমি। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা শেষে মৌসুমী বললেন, “আমরা চাইছি যে উকিল নির্ভয়াকাণ্ডে লড়াই করেছিলেন, দোষীদের ফাস্টট্র্যাক কোর্টে সাজা হয়েছিল, সেই উকিলকেই আমি ওনার কাছে চেয়েছি।” এদিন টুম্পা ও মৌসুমির সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা-সহ নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা।

হাইকোর্টের রায় মেনে নিতে পারেনি রাজ্যও। রায়দানের পরই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা বলে তারা। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
সুবিচারের আশায় দিল্লির পথে মৌসুমি-টুম্পা, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কামদুনির ২ প্রতিবাদীর




