নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগে স্বচ্ছতা জরুরি, গতকাল মমতার তৃতীয় বারের মন্ত্রিসভার দাইয়িত্ব বন্টনের পরই বার্তা দিয়েছিলেন নয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এর আগে বনমন্ত্রী ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারে নিজের ভেতরের খেলোয়াড় সত্বা জাগিয়ে রেখেই শুধু জার্সি বদলে ঘাসফুল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরের হয়ে ভোটের ময়দানে নেমেছিলেন তিনি। এবং গতবারের ফার্স্ট বয় এবারে ডাহা ফেল করেছেন। তার পরেই নতুন টিম বানানোর সময় বনমন্ত্রকের দায়িত্ব মমতা দিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাতে।
আরও পড়ুনঃ আরও ঢেউ আসার আগেই টিকার ফর্মুলা শেয়ার করুক কেন্দ্র, দাবী কেজরিওয়ালের
শপথ নেওয়ার পরেই বনমন্ত্রীর কনভয় পৌঁছে গিয়েছিলো অরণ্য ভবনে। কালই নির্দেশ দিয়েছিলেন খতিয়ে দেখতে বন দফতরের নিয়োগ ব্যবস্থা। জানিয়েছিলেন তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে তাঁদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে ব্যবস্থা। বন দফতরের নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন খোদ মমতাও। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বনাঞ্চলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ হয়েছিল সম্প্রতি, নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিলো। নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, বনবস্তির বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই যাঁরা স্বেচ্ছায় বন-জঙ্গল রক্ষার কাজ করছেন, সুবিধা পাবেন তাঁরাও। কিন্তু অভিযোগ তা ঘতেনি। অনেকক্ষেত্রে বাইরের শহরের লোকেরা চাকরি পেলেও অগ্রাধিকার পায়নি স্থানীয়রা। বিক্ষোভ হয়েছিলো উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায়।
রাজীব গেরুয়া শিবিরের পতাকা নেওয়ার ক’দিন পরেই উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এখন শুনছি বন দফতরে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। তদন্ত হবে। পাল্টা থেমে থাকেননি রাজীব। তিনিও বলেছিলেন তাঁর কাছে জমা আছে সব ম্যাসেজ। কার হয়ে কে কাট্মানি নিত সব জানেন। শুধু মুখ খোলেন না। তার পর মোটামুটি বন্ধ ছিল সেসব। কাল বনমন্ত্রী হয়েই আবার তুলে এনেছেন জ্যোতিপ্রিয়।
নিয়োগে স্বচ্ছতা জরুরি, সেই কারণেই আজ জানিয়েছেন তিনি চাইছেন নিয়োগে স্বচ্ছতা রাখতে বন দফতরে নিয়োগ হোক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে। সূত্রের খবর রাজ্য চাইছে এই নিয়োগ হোক পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে। সঙ্গে রাজ্যের আয় বাড়াতে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পর্যটন দফতরের সহায়তা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন বন বাংলো গুলিকে আকর্ষনীয় করে তুলতে বলেছেন, সঙ্গে বনের মধু, তেল, কাঠ বিক্রিতে দফতরকে উদ্যোগী হতে নির্দেশ দিয়েছেন।



