আরজি করের চিকিৎসক মৃত্যু নিয়ে তদন্ত যতই এগচ্ছে ততই বাড়ছে রহস্য। গতকালই ওই চিকিৎসকের দেহ ময়নাতদন্ত করা হয় যেখানে প্রাথমিক রিপোর্টে ইতিমধ্যেই খুন-ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে লালবাজার গোয়েন্দা শাখার আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট খুন-ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। ঘটনায় আরও কেউ অভিযুক্ত রয়েছে কিনা তার জন্য কলকাতা পুলিশের তরফে তদন্তের জন্য তৈরি করা হয়েছে স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম। তবে ইতিমধ্যেই বাকি দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার বিক্ষোভ আরজি করের নার্সিং পড়ুয়াদের।
এদিন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের আকাডেমিক বিল্ডিং এর সামনেই এদিন বিক্ষোভ দেখায় জুনিওর চিকিৎসক ও নার্সিং পড়ুয়ারা। তাদের দাবি হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকের যে নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনায় অভিযুক্তর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। এছাড়াও তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে বলে দাবি করে এই জুনিয়র চিকিৎসক ও নার্সিং পড়ুয়ার। কারণ দিবারাত্রি এই নার্সিং পড়ুয়ারা পড়াশোনার পাশাপাশি এই হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় থাকেন। হলে এই নৃশংস খুনের ঘটনার পর থেকে তারা যথেষ্ট নিরাপত্তার অভাব বোধ করছে। সে কারণেই তাদের আজ এই বিক্ষোভ।


বিক্ষোভকারীদের মধ্য থেকে এক ছাত্রী বলেন,”আমরা প্রত্যেকে চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী, এবং প্রত্যেকেই নাইট ডিউটি করি। প্রতিনিয়ত হাসপাতালে সার্ভিস দিই আমরা। কিন্তু আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? এক মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে যখন এই ঘটনা ঘটতে পারে তাহলে আমাদের সাথেও একই রকম ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকছে।” পাশাপাশি এই বিক্ষোভকারীদের দাবি হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে সিসি ক্যামেরা নেই। হানি সে কারণে যথেষ্ট নিরাপত্তার অভাব বোধ করছে এই জুনিয়র চিকিৎসক ও নার্সিং পড়ুয়ারা।







