নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে সংক্রমনের সংখ্যা। এই সময় রাজ্য সরকার করোনা বিধি লাগু করেছে আগামী ১৫ ই জানুয়ারি পর্যন্ত। আর করোনাকালে রাজ্যের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন বিষয় হলো গঙ্গাসাগর মেলা। গঙ্গাসাগর মেলা আদৌ করা উচিত হবে কিনা বা গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করে দেয়া হবে কিনা তা এখনও বিচারাধীন কলকাতা হাইকোর্টে।
আরও পড়ুনঃ আন্তঃরাজ্য ভ্রমনে লাগবে না কোভিড রিপোর্ট, নির্দেশিকা জারি করল ICMR


গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে শাসক-বিরোধী এবং চিকিৎসকদের মধ্যে যখন বাদানুবাদ চলছে ঠিক সেই সময়েই আরো এক মেলার কথা ঘোষণা করা হলো। সেটা হল বীরভূমের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী জয়দেব কেন্দুলি মেলা। আজ মঙ্গলবার বোলপুরের বিধায়ক এই মেলা ঘোষণা প্রসঙ্গে জানান, ‘কারো ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না লাগে তার জন্য স্বল্প পরিসরে মকর সংক্রান্তিতে মেলার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে’।

বিধায়ক তথা মন্ত্রী আরও জানান, ‘যাতে করে কারো রুজি-রুটিতে টান না পড়ে তার জন্যই মূলত সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে। তাই ছোট করেই মেলা হবে। মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অল্পকিছু দোকান বসানো হবে। অপর দিকে অন্যবারের পুণ্যার্থী সাধুসন্তদের ৫০ থেকে ৬০ টি আখাড়া থাকে। এবার ভিড় এড়াতে তা থাকবে মাত্র ২টি। তবে পুণ্যার্থীদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখবে পুলিশ। প্রত্যেকে কোভিড বিধি পালন করছে কিনা সে বিষয়টিও নজর রাখা হবে। এবং অজয় নদে পুণ্যস্নানের ব্যবস্থাও করা হবে’।
গঙ্গাসাগরে রক্ষে নেই জয়দেব মেলা দোসর, কি হবে রাজ্যের করোনা ভবিষ্যৎ?
এক কথায় এই কোভিড পরিস্থিতিতেও জয়দেব মেলা হবে। উল্লেখ্য প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে জয়দেব মেলা বসে। নানা প্রান্তের কয়েক হাজার বাউল, ফকির এই মেলাতে ভিড় জমান। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলার বৈশিষ্ট্য, এখানে শুধুমাত্র ধর্মপ্রচারের লক্ষ্যে নানা ধর্মের মানুষ আসেন। মেলার কয়েকদিন ধরে চলে ধর্ম প্রচার এবং আলোচনা। বাউল, কীর্তন এবং সুফি গানের আসরে ভিড় জমান দেশ, বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার মানুষ। তবে গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে বিতর্ক মেটার আগেই ফের আরও এক মেলার আয়োজন করারা জন্য বিতর্ক ফের শুরু হবে বলেই মনে করছেন অনেকেই।









