নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছরের ২৩ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর থেকে ৭ মাস ধরে জেলে রয়েছেন তিনি। দল তাঁকে বহিষ্কার করলেও বারবার আনুগত্যের প্রমাণ দিয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা। বারবার তাঁকে উদ্দেশ্য করে চোর স্লোগান উঠলেও মুষড়ে পড়েননি। আট মাস পরে পার্থকে ঘিরে ‘জিন্দাবাদ’ স্লোগান, পার্থর অনুগামীরাই তাঁকে দেখে জিন্দাবাদ স্লোগান দিতে শুরু করলেন। সেটা দেখেও চুপ করে রইলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ Samantha: ডিভোর্সের পরে ও আন্তাভা, আইটেম গানে নেচে কি পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছিলো সামান্থা?


গত বছরের জুলাই মাসে গ্রেফতারের পর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর কারনামা নিয়ে চর্চা হয়েছে তুমুল। এমনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কাটাছেঁড়া হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে বারবার তৃণমূলের তরফে ইতিবাচক মন্তব্য করা হলেও পার্থ সম্পর্কে সেভাবে শব্দ ব্যয় করেনি শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং আইনের ওপর আস্থা রাখলেন তিনি। আদালতে জানালেন, আমার আশা, সত্যের জয় হবে। আইনের উপর আমার আস্থা আছে। এখন অনুগামীদের থেকে বার্তা পেয়েই কিছুটা চাঙ্গা হলেন পার্থ।

এর আগে সিপি(আই)এম এবং বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাকে অনেকে তদ্বির করেছে কিন্তু তাদের বলেছি কিছু করতে পারব না, আমি নিয়োগকর্তা নই। এ ব্যাপারে সাহায্য তো দূরের কথা কোনও কাজ বেআইনি করতে পারব না। একইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরিস্কার ভাষায় বলছি যে সূজন চক্রবর্তী, শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ বাবুরা বড় বড় কথা বলছেন তারা নিজেদের দিকে দেখুন। উত্তরবঙ্গে তাঁরা কী করেছেন। ২০০৯-১০-র সিএজি রিপোর্ট (কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল) পড়ুন।
আট মাস পরে পার্থকে ঘিরে ‘জিন্দাবাদ’ স্লোগান, চুপ করে রইলেন পার্থ

গত ২৩ মার্চ পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের ৭ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ৩০ মার্চ আদালতে পেশ করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পাওয়া একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে ফের হেফাজতে নিতে চায় ইডি।









