পড়ুয়াদের বিক্ষোভ-আন্দোলন দমন করতে লাঠি-গুলি-হুঙ্কার— প্রায় সব অস্ত্রই ব্যবহার করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। গণবিক্ষোভের জেরে শুধু প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়াই নয়, বাংলাদেশও ছাড়তে হল শেখ হাসিনাকে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্তফা দিয়েছেন। আজ সোমবার বেলা আড়াইটায় বঙ্গভবন থেকে একটি সামরিক হেলিকপ্টার শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাত্রা করে। তিনি এখন ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন তাঁর বোনকে নিয়ে। যেতে পারেন লন্ডন।
এই মুহূর্তে বাংলাদেশে চলছে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তোরজোড়। সেই সরকারের প্রথা হতে পারেন বাংলাদেশ সেনার সেনা প্রধান। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। বিশেষে করে আমাদের রাজ্যের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরেই ইন্দ-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে বহু সিনেমা তৈরি হয়েছে দুই বাংলা জুড়ে। আর এখন তো ওটিটি-র যুগে সেই কাজ আরও বেড়েছে। ফলে ওই দেশের শিল্পীরা কলকাতাতে এসে কাজ করছেন আবার আমাদের শিল্পীরা সে দেশে গিয়ে কাজ করছেন।

আর এর ফলে দুই দেশের শিল্পীদের মধ্যে একটা বন্ধন তৈরি হয়েছে। তাই সেখানে কিছু হলে এখানকার শিল্পীরা চিন্তায় থাকেন। তাই উত্তাল বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে? শান্তি ফেরার আশায় একের পর এক বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনই পরিস্থিতিতে আর চুপ থাকতে পারলেন না টলিপাড়ার সুপারস্টার জিৎ। বাংলাদেশের সরকার পতন। দেশ ছাড়লেন শেখ হাসিনা। আর প্রতিবেশী দেশের সেই চরম পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন জিৎ।
দুই দেশের যৌথ প্রযোজনায় বেশ কয়েকটি ছবি করেছেন জিৎ। দুই দেশেই তাঁর ভক্তের সংখ্যা বিপুল। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানালেন, ‘প্রতিটা জীবনই মূল্যবান তাই যে কোনও মূল্যে সেটা রক্ষা হওয়া আবশ্যিক’। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন, ‘বাংলাদেশের এই কঠিন সময়ে আমার প্রার্থনা বাংলাদেশের মানুষদের জন্য। যে সমস্ত ঘটনা সামনে আসছে সেটা খুবই দুঃখজনক। এই ধরনের মর্মান্তিক দৃশ্যের সাক্ষী হওয়া হৃদয়বিদারক’। তিনি আরও লেখেন, ‘আশা করি এই কঠিন সময় খুব তাড়াতাড়ি পেরিয়ে যাব। প্রতিটা জীবনই মূল্যবান তাই যে কোনও মূল্যে সেটা রক্ষা হওয়া আবশ্যিক। শান্তি বজায় থাকুক’।



