নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিনা যুদ্ধে জিতলেন জহর… মমতার এক ফোন করে রাজি হওয়া প্রাক্তন আমলা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে আজই পাড়ি দিচ্ছেন দেশের রাজধানীর পথে। সম্ভাবনা হয়েছে বাদল অধিবেশনে যোগদানের। দীনেশের পদে কাকে বসাবেন মমতা সে নিয়ে জল্পনা ছিল বহু মাসের।
আরও পড়ুনঃ নবম-দ্বাদশের হবু শিক্ষকরা সত্যিই বঞ্চিত, মেনে নিল SSC!


কমিশনের তরফে দিন ঠিক হতেই বাড়ছিল জল্পনা। তবে ভেবেচিন্তে মুকুল-যশবন্তের নাম কাটিয়ে মমতা সোজা ফোন করেছিলেন ‘সারপ্রাইজ পার্সন’ কে। দিদির ফোনে আর কাল বিলম্ব না করে রাজি হয়েছিলেন প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও। তবে তিনি যে বিনা যুদ্ধেই জিতছেন তা ঠিক ছিলই একপ্রকার।
২৮ তারিখে মননয়ন জমা দেন জহর সরকার। তৃণমূলের তরফে রাজ্য সভার সাংসদ হিসেবে। তবে বিপরীতে প্রার্থী দেয়নি গেরুয়া শিবির। ২৯ তারিখে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেদু অধিকারি জানিয়েছিলেন, ‘বাংলায় রাজ্যসভার উপনির্বাচনে আজ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ওই আসনে বিজেপি কোনও প্রার্থী দিচ্ছে না। নির্বাচন ফলাফল কী হতে চলেছে, তা সবাই জানেন। এই যুক্তিহীন সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।’
মুকুল-যশবন্তকে ছেড়ে মমতা বেছেছিলেন প্রাক্তন আমলাকে, বিনা যুদ্ধে জিতলেন জহর।

আজ, অর্থাৎ সোমবার দুপুর তিনটে পর্যন্ত ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়। নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি তিনি। বেলা তিনটের পরে সাক্ষাৎ করেন বিধানসভার সচিবের সঙ্গে। তিনিই সার্টিফিকেট তুলে দেন তাঁর হাতে। প্রাক্তন আমলা, প্রসার ভারতীর সিইও…সব পেরিয়ে জহর সরকার এবার পা রাখছেন রাজ্যসভায়।


মমতারে সঙ্গে বরাবরের সু-সম্পর্ক প্রাক্তন আম্লার। তবে খুব বেশি হৃদ্যতা লক্ষ্যনীয় হয়নি কখনো। তার থেকে বেশি জহর পরিচিত ছিলেন মোদি বিরোধী হিসেবে। একাধিক বার আওয়াজ উঠিয়েছেন, আলাপন প্রসঙ্গেও দুষেছিলেন কেন্দ্র সরকারকে। আজ সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে জানান আজই দিল্লিতে পা রাখছেন তিনি।

শপথ গ্রহণ করবেন সোমবার। একই সঙ্গে নিজের আগামী কর্মসূচী নিয়েও জানিয়েছেন। বরাবর মোদি বিরোধী জহর আজ নিজেও বলেন, “এতোদিন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব ছিলাম, বিরোধীতা করতে গিয়ে মাঝ পথে কাজ ছেড়ে এসেছি। এবার আরও বড় আঙ্গিকের বিরোধীতার সুযোগ পেয়েছি।’ সঙ্গেই জানান, পেগাসাস থেকে টিকা বন্টন, সুর চড়াবেন সব কিছু নিয়েই।







