নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ চলছে রাজ্যজুড়ে। প্রথম দিন থেকেই একাধিক জায়গায় অশান্তির খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার মনোনয়নের চতুর্থ দিনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙর। বোমাবাজি থেকে শুরু করে দফায় দফায় গুলি চলে এলাকায়। আইএসএফ কর্মীদের বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে নিরাপত্তা চেয়ে মামলা করে আইএসএফ। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে এই মামলার শুনানি হবে বলে খবর।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোট, জঙ্গলমহলে পরল মাওবাদী পোস্টার


মঙ্গলবার ভাঙড়ের দু নম্বর ব্লকে মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। বিডিও অফিসের সামনেই বোমাবাজি শুরু হয়। কয়েক রাউন্ড গুলি চলে। এমনকি স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা আইএসএফ কর্মীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেয় এবং দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বলেও বলে অভিযোগ ওঠে। গতকালের ঘটনার রেশ বজায় থাকে বুধবারও। এদিনও ভাঙড়ের অর্ধেক দোকান বন্ধ। ঘটনাস্থল ভাঙর ২ নম্বর ব্লকের সামনে রয়েছে পুলিশ পিকেটিং। আজও মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ চলবে। তবে শাসক দল বা বিরোধী দল- কোনও পক্ষ থেকেই যাতে অশান্তির সৃষ্টি না হয় সেদিকে নজর রাখবে প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভাঙর ২ ব্লকের বিডিও অফিসের ভিতরে ও বাইরে বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। ওই এলাকায় সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। বিডিও অফিস চত্বরের বিভিন্ন ঘটনার উপর নজর রাখা হবে। তৃণমূল ও আইএসএফ এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেবে। গতকালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সেই ব্যবস্থা করছে পুলিশ বাহিনী।



প্রসঙ্গত, গতকাল মিনাখাঁতে মনোনয়ন জমা করতে গেলে বাধার মুখে পড়ে সিপিএম। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সিপিএম প্রার্থীদের মনোনয়নের কাজে বাধা দেওয়া হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষের জেরে মঙ্গলবার মিনাখাঁয় তিন জন সিপিএম প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বলে খবর। শাসক দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবার আইএসএফের পাশাপাশি নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএম। এই মামলার শুনানিও হবে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে।
মনোনয়নেই অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, আদালতের দ্বারস্থ ISF-CPIM










