নজরবন্দি ব্যুরো: ‘ উন্নততর বামফ্রন্ট’ এর স্বার্থেই কী হাতবদল নতুন – পুরানোয়? বাংলার মানুষ এই মুহূর্তে পরিবর্তন চাইছেন না প্রত্যাবর্তন তা বোঝা মুশকিল। কিন্তু সমীক্ষা বলছে ২১ এর নির্বাচনে বাংলায় মোড় ঘোরাতে পারে বাম শিবির। ৩৪ বছর শাসনের পর ১১ বছরের ব্যবধান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কে কেন্দ্র করে পায়ের তলা মাটি শক্ত করতে ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছে বামফ্রন্টের সব দল গুলি। চলতি মাসের ২৮ সে আবেগের ব্রিগেড সমাবেশ এরও ডাক দিয়েছে বাম ।
আরও পড়ুনঃ অবশেষে মাদ্রাসার জেনারেল ট্রানস্ফার নোটিফিকেশন প্রকাশ!
সূত্রের খবর হারানো জমি ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে বামেরা এবার মুখ করতে চলেছে যুব সমাজ কে। বাংলায় দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে শাসন করেছিল বাম। তখন থেকে এখনো পর্যন্ত বামেদের লাল পতাকার আবেগের সামনে মঞ্চে বক্তব্য রাখতেন সাদা মাথার নেতৃত্বরা। জ্যোতি বসু হোক বা বুদ্ধদেবের আমল, তখন থেকে মাঝের ১১ বছর বামেদের ওপর মহলের তালিকায় নামের হেরেফের হয়নি কখনোই। এত বছরের শাসন আর শাসন পরবর্তী কাল কখনোই মসেদের তরফ থেকে নতুন মুখ উঠে আসতে দেখেনি রাজ্য।
আর উঠে এলেও কখনোই নতুন দের জায়গা ছেড়ে দিয়ে ক্ষমতার হাতবদল ঘটাননি পুরনো সম্পাদকমন্ডলী । আর ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে বামেরা এখানেই ভুল করেছেন বারবার। রাজ্য সিপিএমের সম্পাদকমণ্ডলীতে যাঁরা আছেন তাঁরা প্রত্যেকেই প্রবীণ। কেউ কেউ ঘরের বাইরে পা দিতেই পারেন না। দীর্ঘ কাল ধরে ফোনে ফোনেই সিদ্ধান্তের হাতবদল হয়। কিন্তু এই মুহূর্তে গোটা দেশে এমনকি শুধু বাংলাতেও বামেদের যুব সংগঠনের ভিত্তি নেহাত আলগা নয়।
সবদিক সামলে চলতে যথেষ্ট পারদর্শী ও। সেইদিক থেকে মনের মধ্যে ক্ষোভ ছিলও যুব দলের। সূত্র জানাচ্ছে ২১ এর নির্বাচনে ফের বাংলায় নিজেদের হারানো মাটি শক্ত করে ফিরতে চাইছে বামেরা। আর তাই শুধরে নিচ্ছে প্রাথমিক স্তরের ভূল ত্রুটি। এমনিতেও ভোট পূর্ব বাংলায় রাজ্যের শাসক – বিরোধী সকল দলের সভা মিছিল চলছে পাল্লা দিয়ে। সেখান থেকে বার বার উঠে আসছে বামেদের প্রসঙ্গ। অনেকে মনে করছেন সকল দলই এখনো কোথাও না কোথাও বিশ্বাস রাখে বাম আদর্শে।
‘ উন্নততর বামফ্রন্ট’ এর স্বার্থেই কী হাতবদল নতুন – পুরানোয়? আর এই নির্বাচনে বামেরা এগিয়ে এখানেই। ভিত আরো শক্ত করতে, বা হয়তো বুদ্ধবাবুর কথা মতো ” উন্নততর বামফ্রন্ট” গড়তে লাল পতাকার সমেন সভা মঞ্চে বামেরা নিয়ে আসছেন যুব সম্প্রদায় কে।



