আইপ্যাকের অফিসে ইডি হানাকে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন বিস্ফোরণ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অভিযোগের পর এ বার ‘প্রমাণ’ সামনে আনলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কথোপকথনের স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—ইডির গতিবিধি কি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অফিস থেকেই নিয়ন্ত্রিত?
কুণালের পোস্ট করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, দুই ব্যক্তির কথোপকথনে দাবি করা হয়েছে—কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আপ্তসহায়ক সাকেত কুমারের সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে ইডির ১৩ জন আধিকারিক ও এক ডেপুটি ডিরেক্টর কলকাতায় আসছেন; আরও এক জন আসবেন মহারাষ্ট্র থেকে। সঙ্গে আসছেন গুলশান রাই নামে এক সাইবার বিশেষজ্ঞ। তাঁদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক-এর তরফে সিজিও কমপ্লেক্সে জরুরি বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে—এমনই উল্লেখ রয়েছে ওই চ্যাটে। কুণালের ইঙ্গিত, এই দলটিই পরে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালায় এবং নির্দেশ এসেছিল অমিত শাহ-র দপ্তর থেকেই।


স্ক্রিনশট শেয়ার করে কুণাল লিখেছেন, “আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির নামে বৃহত্তর চিত্রনাট্যের নেপথ্যকাহিনী? এই মেসেজ সত্যি হলে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত জরুরি। ইডির গতিবিধি কি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস থেকে নিয়ন্ত্রিত—প্রশ্নটা উঠছে।” তাঁর দাবি, বিষয়টি পুলিশি তদন্তে খতিয়ে দেখা উচিত।

উল্লেখ্য, আইপ্যাক দপ্তরে ইডি হানার পর থেকেই তৃণমূলের অভিযোগ—পুরো অভিযানটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ইশারায় হয়েছে। কুণালের শেয়ার করা স্ক্রিনশট সেই অভিযোগকেই জোরদার করছে বলে দলের বক্তব্য।


এদিকে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন-এর বাড়ি ও আইপ্যাক অফিসে ইডির অভিযান ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্ট ইডির দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করেছে। এর পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সুপ্রিম কোর্ট-এর দ্বারস্থ হয়েছে। রাজ্য সরকারও পালটা ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে।









