নজরবন্দি ব্যুরোঃ রবিবার সকালে ত্রিপুরায় দুই মহিলা সাংবাদিককে আটকের ঘটনায় রাজনৈতিক জলঘোলা শুরু হয়েছে। অভিযোগকারী বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে অভিযোগ দায়ের করে জানানো হয়েছে ত্রিপুরায় সামপ্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছে ওই দুই সাংবাদিকের প্রকাশিত খবর। এবিষয়ে ত্রিপুরা সিপি(আই)এম -এর সাধারণ সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী জানিয়েছেন, ” অসহিষ্ণু ও সংবিধান বিরোধী সরকার চলছে ত্রিপুরায় “।
আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় আটক দুই মহিলা সাংবাদিক, অভিযোগ দায়ের করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
গোটা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “দেশে অনেক আইন রয়েছে। সেই আইন মোতাবেক মামলা করুন। সাংবাদিকদের সঙ্গে এধরনের ব্যবহার করা যায় না। ত্রিপুরা সরকারের উচিত মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া”।
পুরভোটে নির্বাচনী প্রচারে নেমে একাধিক জায়গায় হামলার শিকার হতে হয়েছে বিরোধি দলগুলিকে। অভিযোগ উঠেছে শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে একইসঙ্গে সুর চড়িয়েছে বাম-তৃণমূল-কংগ্রেস সহ অন্যান্য দলগুলি। এবিষয়ে বাম নেতার মন্তব্য, “ত্রিপুরায় সংবিধান অচল হয়ে রয়েছে। দু কান কাটা সরকার চলছে এ রাজ্যে। অসহিষ্ণু এবং সংবিধান বিরোধী সরকার ত্রিপুরায়”।
অসহিষ্ণু ও সংবিধান বিরোধী সরকার চলছে ত্রিপুরায়, আগামী দিনে জবাব দেবে জনগণ। বক্তব্য সিপিআইএমের।

তাঁর সংযোজন,”শাসক দল হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের রায়কে উপেক্ষা করে একের পর এক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে শাসক দল। বিগত সাড়ে তিন বছর ধরে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। আমরা আশা রাখছি মানুষ আগামী নির্বাচনে এর জবাব দেবে”।
রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী বছর ত্রিপুরার নির্বাচনে লড়াই বাম বনাম বিজেপির। অন্যদিকে, তৃণমূলের উত্থান বিজেপির জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। ২৫ নভেম্বর পুরভোটের আগে লিটমাস টেস্ট সেরে নিতে চাইছে সব পক্ষই। তবুও এক তৃতীয়াংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে রয়েছে পদ্ম শিবির। বাকি দেড় বছরে কতটা ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে পারবেন বিরোধীরা? নজরে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে।



