নজরবন্দি ব্যুরোঃ মারন করোনার প্রকোপে গত ২০২০ সালের ১৬ মার্চ থেকেই একে একে বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তারপর থেকে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে সংক্রমণ, যে কারনে সেইসময় বন্ধ করে দেওয়া হয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। যা নিয়ে চরম হতাশা দেখা দেয় রাজ্যের সিংহভাগ পড়ুয়াদের মধ্যে। তবে বর্তমান সময়ে করোনা কাঁটা অব্যাহত থাকলেও উপযুক্ত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে অন্যান্য সমস্ত কিছুর মতো আংশিকভাবে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে পথে নামে বাম ছাত্র সংগঠন।
আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কি এবার অফলাইনে? কি বলল সংসদ সভাপতি


উল্লেখ্য, গতবছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে শুরু করেছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যারফলে বছরের শেষের দিক অর্থাৎ ১৫ নভেম্বর থেকে সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে ফের রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা শোনা গিয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে। যারফলে প্রায় ২০ মাস পর আবারও নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরত আশার রাস্তা খুঁজে পাচ্ছিল সমস্ত পড়ুয়ারা।
তবে সে আশায় আবারও বাঁধা হয়ে দাঁড়ালো মারন করোনা। ডেল্টা কে দূরে ঠেলে এবার নয়া প্রজাতি ওমিক্রনের প্রভাবে কার্যত কাবু গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে ফের লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। যারফলে নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য জুড়ে আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটতে শুরু করে রাজ্য সরকার। সেইমত রাজ্যবাসীর জন্য জারি করা একাধিক নিয়মনীতি। তবে সেখানে সিনেমাহল থেকে বার ও রেস্তোরাঁ গুলিকে ৫০ শতাংশ দর্শক বা ক্রেতা নিয়ে পরিষেবা চালু রাখার কথা জানানো হলেও পুরোপুরো বন্ধ করে দেওয়া হয় রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলতে হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজপথে বাম ছাত্র সংগঠন

যা নিয়ে আজ তিলোত্তমার রাজপথে প্রতিবাদে নামে এসএফআই। অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আংশিকভাবে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা, ব্যবহৃত ডেটাপ্যাকের লাগামছাড়া খরচ রোধ ও রাজ্যের সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাবর্ষের ফি মকুব সহ আরও একাধিক দাবি নিয়ে কলকাতার কলেজ স্ট্রীট চত্বরে নিজেদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বাম ছাত্ররা। পাশাপাশি আজ উপস্থিত ছিলেন এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক আতিফ নিসার ও সভাপতি দেবাঞ্জন দে। তবে আদৌ কবে খোলে রাজ্যের সমস্ত সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন সেদিকেই নজর সকলের।










