জম্মু ও কাশ্মীরের উরি সেক্টরে ফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা। কিন্তু ভারতীয় সেনার কড়া নজরদারির সামনে সেই পরিকল্পনা সফল হল না। শনিবার গভীর রাত থেকে রবিবার ভোরের মধ্যে চালানো সেনা অভিযানে এক পাকিস্তানি জঙ্গি নিহত হয়েছে। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনার খবর পাওয়ার পরই শুরু হয় বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডিগ্গি ২’। দ্রুত ঘেরাও করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে সেনা এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথ বাহিনী।
সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশি অভিযানের সময় জঙ্গলের ঘন ঝোপের মধ্যে সন্দেহজনক নড়াচড়া দেখতে পান জওয়ানরা। সেনা এগিয়ে যেতেই লুকিয়ে থাকা জঙ্গি নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। সংক্ষিপ্ত এনকাউন্টারের পর ওই জঙ্গি নিহত হয় বলে জানিয়েছে সেনার চিনার কর্পস।
অভিযানের পরে ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু যুদ্ধসামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। সেনা জানিয়েছে, একটি একে রাইফেল, একটি পিস্তল এবং প্রচুর পরিমাণে গুলি উদ্ধার হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এলাকায় তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর।
উল্লেখ্য, এর আগেও ১০ মার্চ জম্মু ও কাশ্মীরের নৌসেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশের আরেকটি চেষ্টা ব্যর্থ করে ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানে পাকিস্তান মদতপুষ্ট এক জঙ্গি নিহত হয়। ওই অভিযান পরিচালনা করে হোয়াইট নাইট কর্পস।
তারও এক দিন পরে, ১১ মার্চ পুঞ্চ জেলায় প্রায় চার কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে সেনা। যদিও ওই বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে অনুপ্রবেশের কোনও সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।
এর আগে ১ মার্চ নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ড্রোনের মাধ্যমে অনুপ্রবেশের একটি চেষ্টাও ভেস্তে দেয় ভারতীয় সেনা। ফলে সীমান্তে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।



