নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়েক বছরে বাংলায় নারী নির্যাতেনর (Women Abuse) পরিমাণ এতোই বেড়ে চলেছে যে সেই তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেনা ছোট্ট বাচ্চারাও। যা নিয়ে বারবারই সরব হয়েছেন সমাজকর্মীরা। তবে শুধু সাবালিকারা নন, পুরুষদের যৌন লালসার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নাবালিকারাও। কিছু মানুষের এই পশুর মত আচরণের স্বীকার হল পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী।
আরও পড়ুনঃ আটক তিন বিধায়কদের সাসপেণ্ড, বাকিদের সতর্ক করল ঝাড়খণ্ড কংগ্রেস
বিগত কয়েক বছরে বাংলায় নারী নির্যাতেন(Women Abuse) পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে এক কিশোরীর শ্লীলতাহানির ঘটনার খবর সামনে এসেছে পশ্চিম মেদিনীপুরে (West Medinipur)। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গেই যৌন সঙ্গমের অভিযোগ উঠেছে এক বিবাহিত যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দাসপুরে।

অভিযোগ, সবার অলক্ষ্যে পাশের বাড়ির কিশোরীকে ফুসলিয়ে বাড়িতে এনে দিনের পর দিন চলত যৌন সঙ্গম। কিন্ত, আচমকা ফাঁস হয়ে যায় যুবকের কুকর্ম। বাড়িতে পড়ে থাকা কন্ডোম দেখে প্রথমে সন্দেহ হয় যুবকের স্ত্রীর। তাঁর পরই স্বামীর কাছে কৈফিয়ত চাওয়ায় তুমুল ঝাগড়া বেঁধে যায় দুজনের মধ্য। অশান্তির রেশ পৌঁছায় কিশোরীর বাড়িতেই। এরপরই কিশোরীর বাড়ির লোকজন অভিযুক্ত যুবকের নামে দাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ বিরোধী শিশু-সুরক্ষা আইনে (পসকো) মামলা হয়েছে বলে খবর।
অশান্তির রেশ পৌঁছয় সেই নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়িতেও। এরপরই কিশোরীর বাড়ির লোকজন অভিযুক্ত যুবকের নামে দাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ভয়াবহ অভিযোগ পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে সেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ বিরোধী শিশু-সুরক্ষা আইনে (পসকো) মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে খবর।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে লাগাতার যৌন সঙ্গম, স্ত্রী হাতেনাতে ধরিয়ে দিল স্বামীকে

ইতিমধ্যেই সেই অভিযুক্ত যুবক এবং নির্যাতিতা কিশোরীটির শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে ঘাটাল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। শনিবার অভিযুক্তকে আদালতে তোলে পুলিশ। সেখানে তাঁর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ঘটনা প্রসঙ্গে নির্যাতিতার মা বলেন, ‘আমাদের মেয়ের যা ক্ষতি হওয়ার হয়েছে। আমরা ওই ছেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ জানা গেছে, অভিযুক্তের বাড়িতে স্ত্রী ছাড়াও এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে।



