নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনাস্থা ভোটে হেরে গিয়ে সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে গিয়েছেন প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক ইমরান খান। তার জায়গায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শাহবাজ শরীফ। পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গতকাল এক সমীক্ষায় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খান ৪৫ শতাংশ লোকের জনসমর্থন এখনো পেয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ রেকর্ড, একাধিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে সম্মানিত বাংলা
আর সেই শক্তি নিয়েই এবার পাল্টা দেওয়ার কথা ঘোষণা করছেন পাক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাবার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে এসেছিলেন ইমরান। পেশোয়ারে একটি জনসভায় ইমরান এবার সুর চড়ালেন। তিনি বলেন,
“বিচারব্যবস্থার কাছে আমার প্রশ্ন মাঝরাতে কেন আপনারা আদালতে দরজা খুললেন। এই দেশ ৪৫ বছর ধরে আমাকে চেনে আমি কি কখনো আইন ভেঙেছি? আমি যখন ক্রিকেট খেলতাম কেউ কি বলতে পারবে যে আমি ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম? যখন প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় তখন জনগণ সেটা উদযাপন করে। কিন্তু অপসারণ করা হলে জনতা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে”। তার অভিযোগ বিদেশী শক্তির মধ্যে ওয়াশিংটনে বসে বিরোধীরা তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

ইমরান আলো বলেন, “কিন্তু এখানেই সব শেষ নয়। আমি যখন সরকারের অংশ ছিলাম তখন আমি ভয়ঙ্কর ছিলাম না। কিন্তু এখন থেকে আমি অনেক বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠব। আমরা বিদেশ থেকে আমদানি করা সরকার মেনে নেব না। রাস্তায় নেমে দেশের সাধারণ মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। আমার ২৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমি কখনোই জনগণের বিচার ব্যবস্থা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উস্কানি দিইনি।

জমি ছাড়তে নারাজ ইমরান, প্রকাশ্য জনসভায় সুর চড়ালেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী
আমি জানতে চাই আমি কি এমন অপরাধ করেছি যে মাঝরাতে আদালতে দরজা খুলতে হলো? শাহবাজ শরীফের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি মামলা রয়েছে। আপনাদের মনে হয় তাকে আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মেনে নেব?” ইমরানের এই বক্তব্যের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন কোনভাবেই পিছু হটবে না পাকিস্তানের প্রাক্তন এই ফাস্ট বোলার।



