নজরবন্দি ব্যুরোঃ মদ্যপান করে রাস্তায় বেরলেই দিতে হয় ভুরি ভুরি অঙ্কের ফাইন। তাহলে কি এবার সেই নিয়ম হবে আর? বিহারে মদ বিক্রি (Bihar Liquor Ban) বা মদ্যপান নিষিদ্ধ হয়েছে ২০১৬ সালে৷ কিন্তু তারপরেও মদের চোরাগোপ্তা বিক্রি বা পাচার বন্ধ করা যায়নি। এবার লুকিয়ে যারা মদ বিক্রি করছে তাদের শায়েস্তা করতে অভিনব উপায় বের করেছে বিহার সরকার।
আরও পড়ুনঃ শীত বিদায় নিয়েছে, আগামীকাল বৃষ্টি, তারপর তীব্র গরমের পূর্বাভাস বঙ্গে।
এবার থেকে বিহারে (Bihar) মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লেও হাজতবাসের শাস্তি এড়ানো যাবে। কিন্তু তার জন্য অভিযুক্তকে বলতে হবে, কোথা থেকে সে লুকিয়ে মদ কিনেছিল। সেই তথ্য অনুযায়ী যদি মদ বিক্রেতার খোঁজ মেলে তাহলেই যিনি মদ কিনেছিলেন তাঁকে আর জেলে যেতে হবে না এমনই জানিয়েছেন বিহারের শুল্ক দফতরের সহ অধিকর্তা কৃষ্ণ কুমার।

২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে বিহারে মদ বিক্রি এবং মদ্যপান নিষিদ্ধ করেছিল বিহার সরকার। রাজ্যের পুরুষদের মদ্যপানের প্রতি আসক্তি বাড়তে থাকায় বিহারের মহিলাদের এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বিহারে মদ নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও বিষ মদ পান করে গত বছর নভেম্বর মাসে পঞ্চাশ জনের মৃত্যু হয়। মদ বিক্রি ও মদ্যপান আটকাতে রাজ্যের আইন দমনমূলক বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এবার মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লে হবে না জেল, শুধু মানতে হবে কিছু শর্ত!

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দিয়ে বা বিয়ে বাড়িতেও অভিযান চালিয়ে মদ উদ্ধার করেছে বিহার পুলিশ। কিন্তু এত কিছু করেও মদ বিক্রি বন্ধ করা যাচ্ছে না। এবার তাই মদ্যপদের ব্যবহার করেই মদের চোরা কারবারিদের নাগাল পেতে চাইছে বিহার সরকার।



