নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুদিন আগে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায় কে নন্দীগ্রামে হারিয়েছি ভবানীপুরেও হারাব। তাঁর কথায়, “পায়ে ব্যান্ডেজ করে কত কান্ড করলেন, তাও আমি জিতেছি। চিন্তা করবেন না, নন্দীগ্রামে হারিয়েছি ভবানীপুরেও হারাব।” কিন্তু এবার, বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হলেই নাকি পদ ছাড়বেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ দুয়ারে রেশন প্রকল্পে নয়া উদ্যোগ, পুজো মরশুমে বাড়িতে বসেই রেশন পাবেন গ্রাহকরা।
আর প্রিয়াঙ্কা কে সামনে রেখেই যে বিজেপি নিজেদের ১০০ শতাংশ শক্তি প্রয়োগ করবে ভবানীপুরে তা স্পষ্ট করেছে বিজেপি। একদা দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “হারা প্রার্থীর বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া প্রার্থী দিয়েছি। এ নিয়ে আবার এত কথার কী আছে!” আনকোরা প্রিয়াঙ্কা কি মমতা বন্দোপাধ্যায়কে লড়াই দিতে পারবেন? সেই প্রশ্নে বড় ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, “১৯৮৪ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন লড়লেন, ওনাকে কে চিনতেন। উনি তো সোমনাথবাবুকে হারিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তো আজকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছেন।”
এদিকে, ২১ নির্বাচনে রাজ্য জুড়ে ভরাডুবি হলেও বিজেপির একমাত্র স্বস্তির জায়গা ছিল নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর জয়। সেই শুভেন্দুর বিশ্বাস, ছাপ্পা না পড়লে ভবানীপুরেও জিতবে বিজেপি! শুভেন্দুর কথায়, “নন্দীগ্রামে আমি একটি প্রতীক মাত্র ছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে নন্দীগ্রামের জনতা, বাংলার জনতা। ভবানীপুরে মানুষ যদি ভোট দিতে পারে, বুথে যদি ছাপ্পা না পড়ে তাহলে এই আসনেও মোদিজির আশীর্বাদপুষ্ট প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল তথা বিজেপিই জিতবে।“
বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী

কিন্তু এবার, বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী। কারন হিসেবে আজ এক সভায় তিনি বলেছেন, “আমি শীর্ষ নেতৃত্ব কে বলব প্রিয়াঙ্কা ভবানীপুরে জিতলে আমার পদ টা ওকে দিতে।” যদিও ভবানীপুরের ভোট অঙ্ক বলছে অনেক পিছিয়ে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা টিব্রিওয়াল। এই কেন্দ্রে কিছুদিন আগেই বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন প্রায় ২৮ হাজার ভোটে।



