নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভা ভোটের পর থেকেই বিজেপিতে (BJP) ভাঙন শুরু হয়েছে। তৃণমূল থেকে আসা নেতা হোক বা সিপিআইএম থেকে আসা কর্মী। সবাই যেন আচমকাই ভুল বুঝতে পেরেছেন। এদিকে চলতি সপ্তাহেই বাংলায় আসছেন বিজেপি নেতা তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু দলের সেকেণ্ড ইন্ড কমান্ড রাজ্যে আসার আগেই বাংলায় জারি দলত্যাগের হিড়িক।
রবিবার বিজেপি থেকে গণইস্তফা দিলেন বিজেপি বারাসত সাংগঠনিক জেলার ১৫ জন। তাবড় তাবড় নেতা থেকে দলের সাধারণ কর্মীরাও দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছেন। যোগ দিয়েছেন অন্য দলে। এবার উত্তর ২৪ পুরগনা জেলার বারাসতের বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন ধরল। একসঙ্গে ইস্তফা দিলেন ১৫ জন। রবিবার সকালে বিজেপি বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস মিত্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে একটি ইস্তফাপত্র লেখেন বিরোধী গোষ্ঠীর নেতারা।

ইস্তফা দিয়েছেন যারা তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, আশিস মজুমদার, প্রতাপ চট্টোপাধ্যায়, চিত্ত বসাক, সুভাষচন্দ্র রায়, নীলিমা দে সরকার, সজল দাস-সহ অন্যান্যরা। ইস্তফাপত্রে লেখা হয়েছে, “তাপস মিত্র যেভাবে আক্রোশের বশবর্তী হয়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের দীর্ঘদিনের সক্রিয় ও বরিষ্ঠ কার্যকর্তাদের সমস্ত দলীয় কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন, তাঁদের যোগ্য সম্মান ও উপযুক্ত সাংগঠনিক স্থান না দিয়ে জেলা সভাপতির কাছের অযোগ্য লোকদের মুড়ি মুড়কির মতো পদ বিলি করেছেন ‘কামিনী-কাঞ্চনের’ বিনিময়ে।

”যেভাবে অর্থের বিনিময়ে পুরভোটের টিকিট অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়েছেন এবং শাসকদলের নেতাদের অঙ্গুলি হেলনে জেলার সংগঠনকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছেন-যার ফল স্বরূপ বিগত পুরভোটে জেলার চার পুরসভার ১১০ টি সিটের মধ্যে একটিতেও জয়লাভ করতে না পারা ও তৃতীয় স্থানে যাওয়ার লজ্জাজনক হারের প্রতিবাদে জেলা কার্যকরী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলাম।”
রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তার আগেই দল বেঁধে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক

এ বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি তাপস মিত্র বলেন, “অফিশিয়ালি বিষয়টি এখনও জানি না। তাই এখনই কোনও মন্তব্য করব না।”



