নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুরু হল উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্যদের পাশ করানো। এদিন তিলজলার একটি স্কুলের ৭১ জন পড়ুয়া কে পাশ করিয়ে দেওয়া হল। তবে তাঁদের মুচ লেখা দিতে হয়েছে। কিন্তু কেন এই মুচলেখা? স্কুল সূত্রে খবর, উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের দিন দেখা যায় ওই স্কুলে ৭১ জন পড়ুয়া ফেল করেছে। খবর প্রকাশ্যে আসতেই অকৃতকার্যরা চড়াও হয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ওপর।
আরও পড়ুনঃ ২০০১ এর পুনরাবৃত্তি! মমতা-সনিয়া বৈঠকের আগেই জোটের সুতো বাঁধছেন কমল


তাঁরা ভাঙচুর চালায় স্কুলে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়াদের দাবি ছিল তাঁদের পাশ করাতে হবে। পরে দেখা যায় রাজ্য জুড়েই বিক্ষোভ শুরু হয় অকৃতকার্য দের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে উদ্যোগ নেয় নবান্ন। বৈঠক করা হয় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রধানের সাথে। পরে জারি করা হয় নয়া বিজ্ঞপ্তি।
গতকালের জারি করা বিজ্ঞপ্তি দেখে চোখ কপালে ওঠে সমালোচকদের। নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেয় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সূত্রের খবর, পাশ করানো হতে পারে সবাই কে। আজ উচ্চ শিক্ষা সংসদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, “সমস্ত বিদ্যালয়ের প্রধানদের জানানো হচ্ছে, উচ্চ মাধ্যমিকের ২০২১ সালের ফলাফলের ভিত্তিতে অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ইতিমধ্যেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে।”
শুরু হল উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্যদের পাশ করানো, মুচলেখা দিয়ে পাশ করল ৭১ পড়ুয়া!

এরপরেই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে, “বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অনুরোধ করা হচ্ছে তারা যেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয় ২৯ জুলাই থেকে যোগাযোগ করেন। অসন্তুষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধ করা হচ্ছে তারা যেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধানদের সঙ্গে ৩০ জুলাই থেকে যোগাযোগ করেন।”


প্রশ্ন উঠছিল, প্রধান শিক্ষকরা কেন যোগাযোগ করবেন সংসদের আঞ্চলিক কার্যালয় গুলির সঙ্গে? আর অসন্তুষ্ট বা অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীরাই বা কেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রধান শিক্ষিকাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে? যদিও প্রশ্নগুলির কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। কিন্তু সূত্রের দাবি ছিল, যেহেতু পরীক্ষা নেওয়া হয়নি তাই যারা ফেল করেছে তাঁদের ন্যুনতম পাশ মার্ক্স দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া হতে পারে। সেইমতই শুরু হল উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্যদের পাশ করানো!








