জ্ঞানব্যাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) বেসমেন্টে পুজো করতে পারবে হিন্দুরা। নির্দেশ দিল বারাণসী আদালত (Varanasi Court)। এর আগেই জ্ঞানবাপী মসজিদের নীচে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি জানান হিন্দু পক্ষের এক আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন।। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (Archaeological Survey of India) পেশ করা রিপোর্টে নাকি সেরকমই তথ্য রয়েছে।
আরও পড়ুন: তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাহুলের গাড়িতে হামলার অভিযোগ অধীরের, পাল্টা বিস্ফোরক মমতা


বুধবার জ্ঞানব্যাপী (Gyanvapi Mosque) মামলার শুনানিতে বারাণসী আদালত বলে, মসজিদের যে ‘ব্যাস কা তেহখানা’, যা বর্তমানে সিল করা রয়েছে সেখানে পুজো করতে পারবে হিন্দুরা। জেলা প্রশাসনকে ভক্তদের পুজো করার জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দিল আদালত। পাশাপাশি, একজন পুজারীর নাম সুপারিশ করতে বলা হয়েছে শ্রী কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টকে। তিনিই জ্ঞানব্য়াপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque) পুজো করবেন। আগামী সাতদিনের মধ্যে ব্যারিকেড সরানো থেকে পুজোর স্থান নির্বাচন, সমস্ত ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে এই রায়ে।

বাবরি মসজিদের পর জ্ঞানবাপী। আবারও মসজিদ-মন্দির বিতর্ক! ২০২২ সালে জেলা প্রশাসনের সমীক্ষায় জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) চত্বর থেকে একটি পাথরখণ্ড উদ্ধার হয়। সেটি কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আসল শিবলিঙ্গ বলে দাবি করেছিল হিন্দু পক্ষ। এরপর সেই মূর্তি সারা বছর ধরে পুজো করার অনুমতি চেয়ে বারাণসী আদালতে মামলা করেন পাঁচ মহিলা। সেই মামলার ভিত্তিতেই আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে (Archaeological Survey of India) সমীক্ষার নির্দেশ দেয় আদালত। সেই মতো গত ১৮ ডিসেম্বর আদালতে মুখবন্ধ খামে সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিয়েছিল এএসআই।



জ্ঞানবাপী মন্দিরের বেসমেন্টে পুজো করা যাবে, হিন্দুদের পক্ষে রায় আদালতের
সেই রিপোর্ট থেকে হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন দাবি করেছেন, জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Masjid) নীচে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব পেয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (Archaeological Survey of India)। দেবনগরী, তেলুগু, কন্নড় ও অন্যান্য ভাষায় লেখা পাওয়া ৩৪টি লিপি উদ্ধার হয়েছে গিয়েছে মসজিদ থেকে। পাশাপাশি, মন্দিরের কাঠামোকে ব্যবহার করেই নির্মাণ করা হয় মসজিদ বলে উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে।

রিপোর্টে আরও উল্লেখ আছে, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব ১৬৬৯ সালের ২ নভেম্বর মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Masjid) নির্মাণের ফরমান দিয়েছিলেন। মন্দিরের পক্ষে মোট ৩২টি প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন। কিন্তু, ঠিক কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে সমীক্ষা চালায় আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে মুসলিম পক্ষ।







