নজরবন্দি ব্যুরোঃ আট মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। তবুও নদিয়ার হাঁসখালির ঘটনায় আইনি পরিষেবা পরদানকারী রাজ্যের লিগাল সার্ভিসেস অথারিটির টালবাহানায় তীব্র ভৎসুনা করে কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার আদালতের ধমকে মিলল সুরাহা। সোমবার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল ৫ লক্ষ টাকা। মঙ্গলবার আদালতে লইগাল সার্ভিসেস অথারিটির তরফে এই কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Modi And Mamata: বছর শেষে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী, একান্তে বৈঠক হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে


চলতি বছরের ৪ এপ্রিল হাঁসখালিতে নবম এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। পরের দিনেই ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছিল। মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সমরেন্দুর গয়ালির ছেলে ব্রজগোপাল গয়ালি। বাবা ছেলে দুই জনকেই গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে অবশ্য হাঁসখালির ঘটনায় তথ্য লোপাটের আশঙ্কায় তৃণমূল নেতার ছেলের তিন বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সিবিআই সূত্রের খবর, তিন যুবকের বয়স ২২ বছরের মধ্যে। নির্যাতিতার শেষকৃত্যের সময় তাঁরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ধর্ষণের পর নির্যাতিতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই তিনজন সঙ্গ দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি নির্যাতিতার পরিবারকে জোর করে হুমকি দিয়ে দেহ পোড়ানোতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আদালতের ধমকে মিলল সুরাহা, আর্থিক সাহায্য পেল পরিবার

এই ঘটনায় তিনটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। মামলার বিষয় ছিল মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কোনও সাহায্য মেলেনি। সোমবার বিষয়টি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে ওঠে। তখনই অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। তার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হল। রাজ্যের লিগাল এড জানিয়েছে, সোমবারই ওই অর্থ হাঁসখালির নির্যাতিতার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।









