নজরবন্দি ব্যুরোঃ জি-২০ সম্মেলন সূত্রে ভারতে এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে তাঁর সঙ্গে বৈঠক সারলেন তিনি। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে বাংলাদেশের। আবার, ভারতের চিনের সম্পর্ক ক্রমশই তলানিতে। জি-২০ সম্মেলনেও আসেননি চিনের রাষ্ট্রপতি শিং জিনপিং। এবার ভারতে পা রেখেই কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং চিরকালের বন্ধুকে স্মরণ করতে ভুললেন না হাসিনা।
আরও পড়ুনঃ আপাতত ইডির হাজিরা এড়ালেন রুপলেখা, এজেন্সিকে চিঠিতে কী লিখলেন অভিনেত্রী?


শনিবার সকালেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে উপস্থিত হন শেখ হাসিনা। তাঁকে অভ্যর্থনা জানান নরেন্দ্র মোদী। প্রায় দেড় ঘন্টা তাঁদের মধ্যে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী। ভারতের জয়শংকর ও বাংলাদেশের মোমেন। সূত্রের খবর, দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আজ হাসিনার আগমনে বাংলায় একটি ট্যুইটও করেন মোদী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই সন্তোষজনক। আমাদের আলোচনায় কানেক্টিভিটি, বাণিজ্যিক সংযুক্তি এবং আরও অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। pic.twitter.com/F4wYct4X8V
— Narendra Modi (@narendramodi) September 8, 2023
ট্যুইটে মোদী লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই সন্তোষজনক। আমাদের আলোচনায় কানেক্টিভিটি, বাণিজ্যিক সংযুক্তি এবং আরও অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।”
চিনের সঙ্গে সম্পর্ক কেবল ‘আর্থিক’, ভারতের সঙ্গে ‘রক্তের’, মোদীকে বলে গেলেন হাসিনা
সূত্রের খবর, শেখ হাসিনা আজ মোদীকে আশ্বস্ত করে বলে গিয়েছেন যে, চিনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেবল আর্থিক। কিন্তু ভারতের সাথে রক্তের সম্পর্ক। তাই আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্ক মজবুতই থাকবে। তবে, গঙ্গা তিস্তার জলবন্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে আলোচনা হবার কথা ছিল তা হয়েছে কিনা এখনও জানা যায়নি।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।





