নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রতিচ্ছবি দিনহাটার, শালবনির জঙ্গলে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ। প্রথম দফায় নির্বাচনের আগে হাতে আর সময় নেই ২৪ ঘন্টা। গতকালই বাংলা রাজনীতিতে একেবারে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দেখেছে সাধারণ মানুষ। সারাদিন ধরে চলেছে পাল্লা দেওয়ার রোড শো, মিছিল, মিটিং। স্থানীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারের ধল নামাচ্ছেন কর্মী সমর্থকেরা, প্রচারে যাচ্ছেন হেভিওয়েট প্রার্থী থেকে তারকারা। কিন্তু নিরবাচনের কদিন আগে থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে মৃত্যু হচ্ছে সাধারণ কর্মীদের।
আরও পড়ুনঃ জঙ্গলমহলে ভোট শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগে ছত্রধরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল এনআইএ।
কোন নির্দিষ্ট দলের নয়, গত কয়েকদিনে অন্য দলের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন তৃণমূল বিজেপি উভয় দলের সাধারণ কর্মী। দিনহাটা, শান্তিপুর ভাঙ্গড়ের পরে এবার মৃত্যুর ধ্বনি শালবনীতে। প্রথম দফায় যে ৩০ টি আসনে নির্বাচন হবে বাংলায় তার মধ্যে একটি আসন শালবনি। আর যেখানে কাল সকালেই মানুষ বুথ মুখী হবেন নিজেদের পচ্ছন্দের নাম জানান্তে, সেকঘানে আজ শাল্বনির বাগ্মারী গ্রামের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় এক বিজেপি কর্মীর মৃত দেহ।
প্রতিচ্ছবি দিনহাটার, শালবনির জঙ্গলে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ। সূত্রের খবর ওই মৃত ব্যাক্তির নাম লালমোহন সরেন। আজ সকালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ বনের মধ্যে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ গতকাল রাতেই তৃণমূলের লোকেরা লালমোহনকে মেরে গাছে ঝুলিয়ে দেয়।দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, “বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় রীতিমতো সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তৃণমূল। বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে।ওদের পায়ের নিচে মাটি নেই তাই এভাবে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে।” একই ঘটনার প্রতিচ্ছবি দিনহাটা কাণ্ডে। কিন্তু অভিযোগ অস্বীকার করছে তৃণমূল। তাঁদের বক্তব্য নির্বাচনের আগে এসব করে শুধুই বদনাম করছে তৃণমূলকে।



