নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে আংশিক লকডাউনের সুফল, উত্তরবঙ্গে নিয়ন্ত্রনে মারণ করোনা ভাইরাস। ভোট মিটতেই রাজ্যে চালু হয়েছে আংশিক লকডাউন। বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসন কড়াভাবে সেই লকডাউনকে বলবত করছে। আর এই আংশিক লকডাউনের সুফল ইতিমধ্যেই পাচ্ছে উত্তরবঙ্গ। জলপাইগুড়ি জেলায় কমেছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা।
আরও পড়ুনঃ এবার রাম জন্মভূমি অযোধ্যা সহ গোটা উত্তরপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল মোদীর বিজেপি।


দেশের ক্রমবর্ধমান করোনা উদ্বেগের মধ্যেই যা স্বস্তি দিচ্ছে রাজ্যবাসীকে। জলপাইগুড়ি কোভিড হাসপাতালের সুপার ডাক্তার গয়ারাম নষ্কর আজ জানান করোনা পরিস্থিতিতে ওই হাসপাতালের ৩৪৮ তি বেডের সবকটি ভর্তি হয়ে গেছিল। প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন নতুন রোগী আসছিল। যে চাপ সামলাতে হিমসিম খেতে হয়েছিল হাসপাতাল করতিপক্ষকে। এদিকে আংশিক লকডাউন চালুর পর থেকে সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১০ টা এবং বিকেল ৩ টে থেকে ৫ টা পর্যন্ত দোকানপাট বাজার হাট খোলা থাকছে। কড়া ভাবে নিয়ম পালনের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
মাস্ক বিহীন মানুষ ও অযথা জটলা দেখলেই তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। খুব দরকার না হলে মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছে না। তারপর থেকেই জেলায় সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে বলে জানান তিনি। যা শুধু জেলা নয় গোটা রাজ্যের জন্যই খুশির খবর। এদিকে জলপাইগুড়ি শহরে আজ নতুন করে ৬৯ জন করোনা আক্রান্তর হদিস মিলেছে। পাশাপাশি ২ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। এই নিয়ে জলপাইগুড়ি শহরে গত দুদিনে ৬ জন করোনা আক্রান্ত মারা গিয়েছেন।
রাজ্যে আংশিক লকডাউনের সুফল, উত্তরবঙ্গে নিয়ন্ত্রনে মারণ করোনা ভাইরাস। শহর জুড়ে জীবানুমুক্ত করার পাশাপাশি আক্রান্তদের বাড়ি জীবানুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান জলপাইগুড়ি পৌর প্রশাসক সন্দীপ মাহাতো। তবে আংশিক লকডাউনের ফলে ধীরে ধীরে আরও কমে আসবে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। এবং করোনাকে হারিয়ে ফের মানুষ জিতবে তেমনই মনে করছে উত্তরবঙ্গবাসী।









