নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনায় প্রয়াত ইন্দাসের তৃণমূল বিধায়ক গুরুপদ মেটে। শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। পলতার বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ এবং এগরার বিধায়ক সমরেশ দাসের পর এবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ইন্দাসের বিধায়ক গুরুপদ মেটের। বৃহস্পতিবার হাওড়ার সঞ্জীবনী হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর।
আরও পড়ুনঃ ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার পুননির্মাণ হবে রাজ্যে! ‘পথশ্রী অভিযান’ মমতার।
বিধায়কের পরিবার সূত্রে খবর, কিছুদিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন গুরুপদ বাবু। চিকিৎসকরা উপসর্গ দেখে করোনা টেস্ট করান। দেখাযায় রিপোর্ট পজিটিভ। বিধায়ককে ভর্তি করা হয় বাঁকুড়ার ওন্দা হাসপাতালে। সেপ্টেম্বর মাসের ২২ তারিখ তাকে ভর্তি করা হয় ওন্দা হাসপাতালে। কিন্তু দেখা যায় ক্রমেই তাঁর স্বাস্থের অবনতি হচ্ছে।
ক্রমাগত স্বাস্থ্যে অবনতি হওয়ার কারনে গুরুপদ মেটে কে ২৫ সেপ্টেম্বর সরিয়ে আনা হয় হাওড়ার সঞ্জীবনী হাসপাতালে। সবরকম চেষ্টা করা সত্ত্বেও ক্রমেই অবনতি হচ্ছিল তাঁর শারীরিক অবস্থার। বৃহস্পতিবার ডাক্তারদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে সন্ধে ছ’টা পাঁচ মিনিটে প্রয়াত হন বিধায়ক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৫২ বছর। বাড়িতে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান। তাঁর মেয়ের বয়স সাড়ে তিন। ছেলে এ বছর মাধ্যমিক পাশ করেছে।
করোনায় প্রয়াত ইন্দাসের তৃণমূল বিধায়ক। বিধায়কের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ট্যুইটারে লিখেছেন, “দুবারের বিধায়ক গুরুপদ মেটের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত, বাংলার মানুষের জন্যে তাঁর কাজ চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।” তাঁর পরিবারবর্গ এবং প্রিয়জনদের প্রতি গভীর সমবেদনা ব্যাক্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
হাওড়ার সঞ্জীবনী হাসপাতালের সুপার ডাঃ শুভাশিস মিত্র জানিয়েছেন, “২৫ তারিখ ভোরে খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছিল হাসপাতালে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমদিকে তাঁকে নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেটর দেওয়া হচ্ছিল। তিনি তাতে সাড়াও দিচ্ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকেই তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। তখন ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাঁকে। স্বাস্থ্যভবনের সঙ্গে সংযোগ রেখেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল।”



