নজরবন্দি ব্যুরো: বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উত্তরবঙ্গ সফরে রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবার সকালেই দার্জিলিংয়ের শ্বেতিঝোরায় পৌঁছে যান তিনি। এদিকে আজই তৃণমূলের রাজভবন অভিযান। দুইয়ে মিলে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। উত্তরবঙ্গে গিয়ে রাজ্য সরকারকেও খোঁচা দেন তিনি।
আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার উত্তর-দক্ষিণ, যানজটে ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা


বৃহস্পতিবার ভোরে দিল্লি থেকে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সকাল ৮ টা নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে যান দার্জিলিংয়ের শ্বেতিঝোরায়। এলাকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। সিকিমের বিপর্যয়ের জেরে উত্তরবঙ্গের যে বিপর্যস্ত অবস্থা তা খতিয়ে দেখতেই গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। জানা যাচ্ছে, দিল্লির সফর কাটছাঁট করেই উত্তরবঙ্গ সফর তাঁর। তবে তৃণমূলের ‘রাজভবন চলো’ কর্মসূচির দিনেই কেন এই সফরের সিদ্ধান্ত? তবে কি তিনি পালিয়ে এলেন? এই প্রশ্ন উঠতেই আনন্দ বোস বলেন, “পালিয়েই এসেছি। তবে দিল্লি থেকে।” এছাড়া তৃণমূলের অভিযান নিয়ে আর কোনও মন্তব্য শোনা যায়নি তাঁর মুখে।

এদিকে রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফরকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক সিভি আনন্দ বোসকে ‘পর্যটক’ বলে খোঁচা করেছেন। এর উত্তরে পাল্টা জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি পর্যটক। বিপদগ্রস্ত মানুষদের দেখতে এসেছি। ‘জুনিয়র অ্যাপয়েন্টি’ মন্ত্রীরও আমার সঙ্গে পর্যটকের মতো আসা উচিত ছিল।” এদিন দুপুর ২ টো ৫০ মিনিটের বিমানে ফের দিল্লি চলে যাবেন তিনি।



উল্লেখ্য, একশো দিনের টাকা আদায় এবং কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে দিল্লিতে বিরাট কর্মসূচি নেয় তৃণমূল। গত ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লিতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দলের অন্যান্য নেতারা। যদিও পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরই দিল্লি থেকেই ‘রাজভবন চলো’ কর্মসূচির ঘোষণা করেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি, তাই বকেয়া আদায় করতে ৫ অক্টোবর অর্থাৎ আজ ৫০ লক্ষ চিঠি নিয়ে রাজভবন অভিযান তৃণমূলের।
তৃণমূলের রাজভবন অভিযানের দিনই উত্তরবঙ্গে রাজ্যপাল, বিঁধলেন রাজ্য সরকারকে








