নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্র রাজ্য টক্কর, ‘কিষাণ সম্মান নিধি’র পাল্টা ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়াল রাজ্য সরকার। রাজ্য বাজেটে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। বিধানসভা ভোটের আগে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম মাষ্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের গরিষ্ঠ অংশ। রাজ্যের ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পে একর পিছু অনুদান আগামি খারিফ মরসুমের জন্য় ৫০০০ থেকে বাড়িয়ে ৬০০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোট। তাই তার আগে মাঠের লড়াই থেকে প্রকল্প ঘোষণা সবেতেই চলছে দুই দলের টক্কর।
আরও পড়ুনঃ ভারতরত্ন শচীনকে নিয়ে অপমানজনক বার্তা, আরজেডি নেতার মন্তব্যে উত্তাল ক্রীড়ামহল।
কেন্দ্রের প্রকল্প ‘কৃষক সম্মান নিধি’ যার পাল্টা হিসেবে শাসক শিবিরের অস্ত্র ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্প। তৃণমূলের দাবি কেন্দ্রের প্রকল্পের থেকে ধারে ভারে অনেকটাই এগিয়ে রাজ্যের প্রকল্প। কৃষকরা এতে অনেক বেশী সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বিজেপি
শিবিরের দাবি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে রাজ্যের কৃষকদের বঞ্চিত রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ তার জবাবে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এদিন বাজেটে তাদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মমতা। ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ভাগচাষিরাও। ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হল’।
প্রসঙ্গত গত ২০১৮-র শেষ দিনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের। বছরে যে কোনো একটি চাষের জন্য দু-ক্ষেপে একর প্রতি জমির জন্য কৃষককে দেওয়া হয় বার্ষিক ৫,০০০ টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ১৮-৬০ বছর বয়সি কৃষকের মৃত্যুতে রাজ্যের তরফে মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।এ বারের রাজ্য বাজেটে অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ৬,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প এই প্রকল্পে ২ হেক্টর পর্যন্ত জমির মালিক কৃষককে বছরে ৬,০০০ টাকা সরাসরি দেওয়া হয় সরাসরি তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।
কেন্দ্র রাজ্য টক্কর, ‘কিষাণ সম্মান নিধি’র পাল্টা ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়াল রাজ্য সরকার। মোট তিনটি কিস্তিতে দেওয়া হয় এই অনুদান দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে চালু হয় এই প্রকল্প।সম্প্রতি এই প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তি হিসেবে ৯ কোটি সুবিধাভোগী কৃষককে ১৮,০০০ কোটি টাকা বিলি করেন প্রধানমন্ত্রী।



