সরকার আসে সরকার যায়, পালটায় আলিপুরদুয়ারের ভাগ্য

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নিজেস্ব প্রতিনীধি আলিপুরদুয়ারঃ  সমস্যা আজকের না দীর্ঘদিনের। ভোট যায় ভোট আসে, পুরনো যায় নতুন শাসক আসে তবুও ভাগ্য ফেরে না আলিপুরদুয়ারের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কালজানি এলাকার বাসিন্দাদের। রীতিমত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ১৮০ মিটারেরও বেশি পথ রেললাইনে পাতা লোহার পাতের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয় ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে। হেলদোল নেই প্রশাসনের।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরে ‘দুয়ারে সরকারে’ আসছে চাকরির দিশা, কিভাবে জেনে নিন

যেকোনো মুহূর্তে চলে আসতে পারে ট্রেন। ঘটতে পারে বড়ো দুর্ঘটনা। ঘটনাস্থল আলিপুরদুয়ারের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কালজানী রেল ব্রিজ। বেশীরভাগ ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের যাওয়ার সময় ওই রেললাইনের ব্রিজের উপর লোহার পাতের পথকেই নির্ভর করে যাতায়াত করে। পরিসংখ্যান বলছে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ যাতায়াত করে ওই ব্রিজের ওপর দিয়ে।

ইতিপূর্বে ওই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করার সময় দুর্ঘটনাও ঘটেছে,প্রাণহানি হয়েছে বেশ কয়েকজনের। আচমকাই ট্রেন চলে আসার ফলে বাধ্য হয়ে ঝাঁপ দিতে হয়েছে নদীতেও। তবুও উদাসীন প্রশাসন। নদীর ওপারে রয়েছে কোচবিহার জেলার খোল্টা গ্রাম পঞ্চায়েত। খোল্টা গ্রামের প্রচুর ছাত্র-ছাত্রীরা প্রাণেরর ঝুঁকি নিয়ে ওই ভাবেই যাতায়াত করে আলিপুরদুয়ারের স্কুলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘদিন দিন ধরে প্রানের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। দাবি করা হয়েছে বিকল্প আরকটি ব্রিজের। বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েও হয়নি কোনো লাভ।

সরকার আসে সরকার যায়, পালটায় আলিপুরদুয়ারের ভাগ্য

সরকার আসে সরকার যায়, পালটায় আলিপুরদুয়ারের ভাগ্য
সরকার আসে সরকার যায়, পালটায় আলিপুরদুয়ারের ভাগ্য

আলিপুরদুয়ারের ডি.আর.এম দিলীপ কুমার সিং বলেন, “ওই ব্রিজের ওপর সাধারণ মানুষের যাতায়াত করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। রেলওয়ে ব্রিজ তৈরী করাহয়েছে শুধুমাত্র রেল গাড়ি,রেল ইঞ্জিন চলাচল করার জন্য। বিভিন্ন সময়ে রেল দপ্তর থেকে ওই ব্রিজের ওপর সচেতনতা প্রচারও চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষ রাজ্য সরকারের কাছে পাশে ব্রিজ করার আবেদন করতে পারে।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন