নজরবন্দি ব্যুরোঃ রিপোর্ট থেকে রোগীর স্থিতিশীলতা, সব কিছু মিলিয়ে হাসপাতাল গুলিকে একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা দিল রাজ্য। যে হারে গোটা দেশের সাথে সাথে বাংলাতেও বাড়ছে সংক্রমণ, তাতে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে অক্সিজেনের। তার থেকেও বড়ো সমস্যা অকূলান বেড। সরকারি বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে নবান্ন বৈঠক করে নন কোভিড বেডকে কোভিড বেডে পরিণত করলেও কম পড়ছে তাও।
আরও পড়ুনঃ #ইউএসইন্ডিয়াদোস্তি! আমেরিকা থেকে অক্সিজেন, র্যাপিড টেস্ট কিট নিয়ে বিমান এলো ভারতে
সাধারণ মানুষকে হন্যে হয়ে খুঁজতে হচ্ছে বেড। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে রিপোর্ট আসেনি এখনো, বা রিপোর্ট নেগেটিভ আসতেই দেওয়া হচ্ছে রোগীকে। রীপোর্ট না আসায় রোগীর অবস্থা ভালো না হলেও ভর্তি নেওয়া হয়নি অনেক জায়গাতেই। স্বাস্থ্য দফতরের সমীক্ষা বলছে গত কয়েকদিনে বাংলায় বহু রোগীর মৃত্যু হয়েছে বেড না পাওয়ায়, অনেক ক্ষেত্রে রোগী হাসপাতালে না আসতে পারায় বাড়িতেই মৃত্যু হয়েছে তাঁদের।
এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, রোগীর রিপোর্ট যাই হোক না কেনো তাকে ভর্তি করতে হবে হাসপাতালে, এবং অবস্থা স্থিতীশীল না হলে তাঁকে অন্য কোথাও রেফার করা যাবেনা। সেই বিষয়েই একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও অসুস্থ রোগীকে যেন অবিলম্বে চিকিৎসা দেওয়া হয়, সেই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ থাকলেও রোগীকে ভর্তি করাতে হবে। প্রয়োজনে রোগীকে সারি ওয়ার্ডে রেখে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করে রিপোর্ট জানতে হবে।
রিপোর্ট থেকে রোগীর স্থিতিশীলতা,সব নিয়ে হাসপাতাল গুলিকে নয়া নির্দেশিকা রাজ্যের। রিপোর্ট সংক্রান্ত নির্দেশের পর আরও জানানো হয়েছে রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল না হয়া পর্যন্ত বদলি করা যাবেনা অন্য হাসপাতালে। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ, বেড না থাকলে যদি রোগীকে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়, সে ক্ষেত্রে যে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে সেখানে বেড আছে কি না, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।পরবর্তীতে কোনও রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে এই নির্দেশিকার কথা রোগীর পরিবার উল্লেখ করতে পারবে বলেও জানানো হয়েছে।



