নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংঘর্ষে হার, এই প্রথম আফগানিস্থানে পিছু হটল তালিবান। গত কয়েকদিনে একটা গোটা দেশ কবজায় এনেছে তালিবান। ২০ বছর ধরে ধীরে ধীরে গোছানো একটা দেশকে উলট পালট করে দিয়েছে মাত্র কটা দিনে। আফগানিস্থান জুড়ে নেমে এসেছে দুই দশকে আগের পুরানো স্মৃতি।
আরও পড়ুনঃ দাবি বেতন বৃদ্ধির, নবান্ন’র দুয়ারে বিক্ষোভ শিক্ষিকাদের
আতঙ্ক নিয়ে প্রাণ মুঠোয় নিয়ে দেশ ছাড়ছেন কাতারে কাতারে মানুষ। দেশের সকলকে ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। মৃত্যুর প্রহর গুনছেন যাঁরা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি তাঁরা সকলে। ক’দিন আগের ভিড় রাস্তায় এখন শুদুই শূন্যতা আর হাহাকার।

ফিরে এসে তালিবানরা বারবার আস্বস্ত করেছে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে না আর। সব থাকবে আগের মতো, শান্তিতে থাকবে দেশ, কিন্তু জারি করা ফতোয়া কোনভাবেই শঙ্কা দূর করেনি দেশবাসীর। ইতিমধ্যেই দেশের মেয়েদের জন্য বোরখা থেকে বাজার সব মিলিয়ে লম্বা তালিকা প্রদান করা হয়েছে।
নিয়ম ভেঙে কেউ কেউ রাস্তায় নামছেন ঠিকই, কিন্তু নিজেরাও জানেন না তাঁদের প্রাণের মেয়াদ কতক্ষণের। দেশের উপরাষ্ট্রপতি সামনে দাঁড়িয়েছেন দেশ বাসীর। তবে তালিবানি আতঙ্কের কাছে চূর্ণ সব কিছু। প্রাণ বাঁচাতে মার্কিন বিমানের চাকাতেও ঝুলে ঝুলে পালাতে চাইছেন মানুষ।

সামনে আসা একাধিক ভিডিও দেখে সকলেই বলছেন তালিবান আছে তালিবানেই। যেখানে আগের দিন কাবুল জয়ের আনন্দে শিশুদের পার্কে বসে ছবি দেখা গিয়েছিল তালিবানিদের, সেখানে আজই পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ছোটদের একটি পার্ক, বোরখা না পরার অপরাধে গুলি করা হয়েছে এক মহিলাকে।
তবে সব কিছুর মাঝেই দেশের মধ্যে প্রথমবার পিছু হটেছে তারা। শুত্রের খবর উপরাষ্ট্রপতি আম্রুল্লাহ সাহেলের এলাকাতেই প্রথম বাধা পেয়েছেন তারা। আগের দিনই আফগানিস্থানের উপরাষ্ট্রপতি জানিয়েছিলেন তালিবানদের বিরুদ্ধে জারি থাকবে দেশের লড়াই। আজ, বুধবার সকালে তালিবানরা পঞ্জশির দখল নিতে এলে তালিবানদের রুখে দেয় দেশের সেনা নর্দ্যান অ্যালায়েন্স। প্রথম বার আফগানিস্থানে পিছু হটল তালিবানরা।



