নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। সাঁতরাগাছির পর হাওড়া ময়দানেও একই ছবি ধরা পড়ল। ব্যারিকেডের সামনেই ধর্নায় বসল বিজেপি নেতৃত্ব। পুলিশ বোমা ছুড়ছে বলে অভিযোগ করলেন খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এরই মধ্যে মুরলীধর সেন লেন থেকে অদূরে একটি গাড়িতে আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলছে গাড়ি।
এদিন হাওড়া ময়দান থেকে মিছিলও হাওড়া ব্রিজের দিকে যাওয়ার কথা ছিল। সেই সময়েই বঙ্গবাসীর কাছে আটকে দেওয়া হয় মিছিল। এদিন ধর্নামঞ্চ থেকে অগ্নিমিত্রা পল বলেন, পুলিশ বাগুইআটিতে মৃত ছাত্রদের খুনিকে ধরতে সময় লাগিয়ে দিল। আর তখন কিছু করতে পারল না। আমরা এখানে ধর্না দিচ্ছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ বলছে আমাদের রাজ্য সভাপতিকে গ্রেফতার করতে হবে! আমরা বলেছি আপনি কে? আপনাকে তো চিনি না। আপনি তো তৃণমূলের ক্যাডার হতে পারেন।

রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি আমরা উঠছি না। আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট। সিপিকে আসতে হবে। আমাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। নাহলে আমরা এখান থেকে সরব না। আমরা ব্যারিকেডের ওপর ওঠার চেষ্টা করছিলাম। টার্গেট করে আমার ওপরেই জল কামান চালানো হয়। আমার ঘাড়ে চোট লাগে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। কত মানুষ এখানে আসবেন সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। যে মিছিলও আজকে দেখেছেন সেটা ৩০ শতাংশ। আমাদের যে লোক আসার কথা ছিল। ৭০ শতাংশ লোক বাড়িতে রাস্তায়, কিছু লোক বাড়িতে। গতকাল কিছু লোককে আটক করে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে তাঁরা এখানে পৌঁছাতে না পারে। এভাবে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মিছিলও আটকানোর চেষ্টা চলছে।
দাউ দাউ করে জ্বলছে গাড়ি, ভস্মীভূত গাড়ি

লালবাজারের একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, বিজেপির কর্মীরাই আগুন লাগিয়েছে। আতঙ্কে ব্যবসায়ী। বন্ধ করা হচ্ছে দোকান। মুরলীধর সেন লেনের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে। পরে দমকল কর্মীরা এসে আগুন নেভায়। পুলিশের তরফে ধরপাকড় শুরু হতেই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।



