নজরবন্দি ব্যুরোঃ চুল ধোয়া তো নিত্যদিনের ব্যাপার। এটা আর নতুন করে শেখার কী আছে? এমন ভাবছেন তো ভুল করছেন। কারণ, এই সাধারণ কাজটিও কিছু নিয়ম মেনে করতে হয়। তাড়াহুড়ো বা আলসেমির কারণে আমরা অনেকেই কোনো রকমে চুল ধুয়ে স্নানঘর থেকে বেরিয়ে যাই। কিন্তু চুলের সঠিক যত্নে এবং চুল পরিষ্কার রাখতে শ্যাম্পু করার কিছু নিয়ম আছে।
আরও পড়ুনঃ ‘সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে আসব না’, জানালেন মদন মিত্র, কিন্তু কেন?


চুলে শ্যাম্পু করা আবার কোনও ব্যাপার নাকি? শ্যাম্পু চুলে লাগান, ঘষুন, ফেনা হলে ধুয়ে ফেলুন। বেশির ভাগ ছেলে এ ভাবেই ভাবেন। কিন্তু আদপে ব্যাপারটা অত সহজও নয়। এবং চুল পরিষ্কার করার সময়ে অজান্তেই কিছু ভুল করে ফেলেন ছেলেরা। সেই কারণেই অনেক সময় খুব কম বয়সেই চুল পড়ে টাক পড়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। ব্যস্ত হয়ে ছেলেরা নানা রকম চুলের সরঞ্জাম ব্যবহার। কিন্তু গোড়ায় গলদ থেকে যাওয়ার ফলে অনেক টাকা খরচ হলেও লাভের লাভ কিছুই হয় না।
বহু ছেলে যে ভুলগুলি অজান্তেই করে ফেলেন—
অত্যাধিক শ্যাম্পু: ভাবছেন ছোট চুল, তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। তাই প্রত্যেকদিনই শ্যাম্পু করে ফেলছেন? এতেই মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। রোজকার ধুলো-ময়লা-তেল পরিষ্কার করতে প্রত্যেকদিন শ্যাম্পু করলে চুল রুক্ষ হয়ে যাবে অনেক তাড়াতাড়ি। চুল পড়ার সমস্যা বাড়বে। চুল প্রাণহীন দেখাবে।



গরমে জলে শ্যাম্পু: প্রচণ্ড গরম জল চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। ঈষদুষ্ণ জল শ্যাম্পু করা সবচেয়ে ভাল। কিন্তু অনেকেই এটা না বুঝে প্রত্যেকদিন গরম জলে চুল ধুয়ে ফেলেন। তাতেও চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে।

কন্ডিশনার ব্যবহার না করা: অনেক ছেলের ভ্রান্ত ধারণা যে কন্ডিশনার শুধু মেয়েদের জন্য। আদপে তেমন কিছু নয়। শ্যাম্পু করার পর চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। সেটা ছেলে-মেয়ে দু’জনের ক্ষেত্রেই। তাই একটা ভাল কন্ডিশনার সকলেরই ব্যবহার করা প্রয়োজন।
অত্যাধিক শ্যাম্পু করাই চুল পড়া আসল কারণ, জানুন সঠিক পদ্ধতি

ভিজে চুল আঁচড়ানো: ছেলেদের একটা বদভ্যাস রয়েছে। স্নান করে বেরিয়েই আয়না সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়ে ফেলেন। এটাই মারাত্মক ভুল। আপরা চুল যতই ছোট হোক, তাতে জট পড়বেই। ভিজে চুলের গোঁড়ো অনেক বেশি নরম থাকে। তখন বেশি টানাটানি করলে চুল বেশি পড়বে। তাই এ বিষয়ে সতর্ক হন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর চুল আঁচড়ান।








