বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তুলনামূলকভাবে স্বস্তির ড্র পেয়েছে ইংল্যান্ড। গ্রুপ ‘এল’-এ তাদের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া, ঘানা এবং পানামা। কাগজে-কলমে বিচার করলে ক্রোয়েশিয়া ছাড়া বাকি দুই প্রতিপক্ষকে নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কারণ নেই। ফলে প্রাথমিক পর্ব এবং সম্ভাব্য প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত সহজ পথই পেতে পারে থমাস টুখেলের দল।
তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, অনুকূল ড্র পেলেই সাফল্য নিশ্চিত হয় না। বরং নক-আউট পর্বে বড় ম্যাচের চাপ সামলানোই ইংল্যান্ডের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতে একাধিকবার সম্ভাবনাময় দল নিয়েও শেষ পর্যন্ত শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে থ্রি লায়ন্সদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি কিংবা পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের প্রকৃত পরীক্ষা হবে। বড় ম্যাচে মানসিক দৃঢ়তা এবং সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতাই নির্ধারণ করবে তাদের ভাগ্য।
ইংল্যান্ডের সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। গোল করার দায়িত্বের পাশাপাশি দলের নেতৃত্বও তাঁর কাঁধে। আক্রমণভাগে তাঁকে সহায়তা করবেন বুকায়ো সাকা, যিনি গত কয়েক বছরে ইংল্যান্ডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
মাঝমাঠে নজর থাকবে জুড বেলিংহ্যাম এর দিকে। খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোল করার ক্ষমতা তাঁকে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র করে তুলেছে। রক্ষণে দলের ভরসা এজরি কনসা Konsa, যার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ইংল্যান্ডকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।
এক নজিরে বিশ্বকাপে ইংলান্ড দলঃ
- হ্যারি কেন
- বুকায়ো সাকা
- জুড বেলিংহ্যাম
- এজ়রি কনসা
- থমাস টুখেল
- জর্ডন পিকফোর্ড
- ডিন হেন্ডারসন
- জেমস ট্র্যাফোর্ড
- রিস জেমস
- জ্যারেল কোয়ানসা
- জন স্টোনস
- মার্ক গেহি
- ড্যান বার্ন
- নিকো ও’রেইলি
- জেড স্পেন্স
- টিনো লিভরামেন্টো
- ডেক্লান রাইস
- ইলিয়ট অ্যান্ডারসন
- কোবি মেইনু
- জর্ডন হেন্ডারসন
- মর্গ্যান রজার্স
- এবেরেচি এজ়ে
- ইভান টোনি
- ওলি ওয়াটকিন্স
- মার্কাস র্যাশফোর্ড
- অ্যান্টনি গর্ডন
- ননি মাদুয়েকে



