নজরবন্দি ব্যুরোঃ বঙ্গ নির্বাচনে নজিরবিহীন ভাবে দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের। অপেক্ষার অবশান ঘটিয়ে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আরও নির্বাচন আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা পশ্চিমবঙ্গ সহ চার রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। অন্যান্য রাজ্যে সর্বাধিক তিন দফায় ভোট হলেও বঙ্গে আগামী ২৭ শে মার্চ থেকে মোট ৮ দফায় ২৯ শে এপ্রিল অব্দি ভোট চলবে। ফল প্রকাশ হবে ২ রা মে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ৮ দফায় ভোটে একগুচ্ছ গাইডলাইন প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের।
তবে তাঁর থেকেও নজিরবিহীন একটি সিদ্ধান্ত এই রাজ্যের জন্য নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা ভোট অবাধ ও নির্বিঘ্নে করার জন্য নজিরবিহীনভাবে প্রাক্তন দুই পুলিশ আধিকারিককে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। যে দুই প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিককে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন বিবেক দুবে ও মৃণাল কুমার দাস। এদের মধ্যে বিবেক দুবে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দুই পর্যবেক্ষকের মধ্যে বিবেক দুবে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময়ে রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন।
১৯৮১ সালের অন্ধ্রপ্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস বিবেক দুবে রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পদেরও দায়িত্ব সামলেছিলেন। পুলিশ মহলে তিনি গেরুয়া শিবিরের কাছের বলেই পরিচিত। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময়ে তাঁর বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শাসকদল তৃণমূল।তবে বিবেকের সঙ্গে দ্বিতীয় যিনি পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সেই মৃণাল কুমার দাস ১৯৭৭ ক্যাডারের আইপিএস।
তিনি মণিপুরের ডিজি হিসেবে অবসর নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে ত্রিপুরা ও মিজোরামের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। পরে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ঝাড়খণ্ড বিধানসভার ভোটের সময়ে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। কর্মজীবনে দক্ষ ও কঠোর পুলিশ আধিকারিক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন মৃণালবাবু। দুই পুলিশ পর্যবেক্ষককে অবিলম্বে রাজ্যে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
বঙ্গ নির্বাচনে নজিরবিহীন ভাবে দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের। দু’জনে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখেই পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলাবেন। প্রয়োজনে আলাদা-আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। ভোটের আগে হাতে যে সময় রয়েছে, সেই সময়ের মধ্যেই জেলা সফরে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।



