নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য প্রমাণের হদিশ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ সামনে তুলে ধরল ইডির আইনজীবী। জানালেন, মানিকের ১৪ দিনের হেফাজত চাই।
এদিন ইডির তরফে আদালতের দাবি করা হয়, গতকাল রাতেই তাঁকে অ্যারেস্ট মেমোতে সই করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি সই করেননি। পরে মানিক ভট্টাচার্যের ছেলেকে ডেকে পাঠানো হলে সই করেন তিনি। একইসঙ্গে ইডির আইনজীবী বলেন, মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের নামে একটি কোম্পানির হদিশ মিলেছে। সেই কোম্পানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকার হদিশ মিলেছে। কোথা থেকে এল এই টাকা? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

অন্যদিকে, ইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে, তদন্ত করতে নেমে ২০১৮ সালে বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চার বছরের জন্য চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সুবিধে না পাইয়ে দেওয়ার পরেই টাকা চলে যায় মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে। ইডির আইনজীবী এদিন জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিবারের বাইরের লোকজনদের জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। কেন সেই অ্যাকাউন্ট? নিয়োগ দুর্নীতির টাকা কীভাবে লেনদেন হত? সবটা জানতে চেয়েছে ইডির আধিকারিকরা।
মানিকের ১৪ দিনের হেফাজত চাই, একাধিক প্রমাণ তুলে ধরল ইডি

একাধিক চিঠি ও কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে চাকরি প্রার্থীদের নামের তালিকা ও তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়েও তথ্য মিলেছে। যা তদন্তের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইডির তরফে বলা হচ্ছে, মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে যে সমস্ত তথ্য মিলেছে, তাতে ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।



