নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম সারীর নেতাঁদের বিরুদ্ধে। শনিবার নিয়গ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অয়ন শীলকে আদালতে পেশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নিয়োগ দুর্নীতির কথা বলতে গিয়ে ইডির আইনজীবী বলেন, কবিগুরু আজ কাঁদছেন। কারণ, বোলপুর শিক্ষার চেয়ে আরও দুটি সিএর জন্য বিখ্যাত। প্রথমটি হল করাপশন এবং অপরটি ক্যাটেলস স্মাগলিং।
আরও পড়ুনঃ NIA-র হাতে গ্রেফতার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক, চলছে প্রভাবশালী যোগের খোঁজ


এদিন আদালতে ইডির আইনজীবীর তরফে ব্যাঙ্কশাল আদালতের কাছে জানানো হয়, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি লিখে এশিয়ার প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই পুরস্কার মূল্য এবং অন্যান্য ফান্ড থেকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছিল। কবিগুরু আজ কাঁদছেন কারণ, বোলপুর এখন দুটো সি-এর জন্য বেশি পরিচিত শিক্ষার চেয়ে। এই দুটি সি হল- একটি করাপশন অন্যটি ক্যাটেলস স্মাগলিং। কবিগুরু কাঁদছেন।

এরপরেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ইডির আইনজীবী বলেন, তাঁর শিক্ষা নীতি পাশ্চাত্য পূর্বের চিন্তাধারার মিশ্রণ ছিল। আজকে বাংলার শিক্ষা নীতি দুর্নীতিতে ভরা। কবিগুরু কাঁদছেন, গঙ্গার জল আর বহমান নয়। শিক্ষানীতিও স্থির হয়ে গিয়েছে। দুর্নীতি যে উচ্চতায় পৌঁছেছে তা দেখে কবিগুরু কাঁদছেন। তিনি কাঁদছেন রাজ্যে শিক্ষানীতি নরকে পরিণত হয়েছে দেখে।
যদিও আদালতে ইডির আইনজীবীর তরফে করা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শাসক দলের জবাব, রাজনৈতিক প্রভুর নির্দেশে মামলা সাজানো হচ্ছে। এবিষয়ে কোনও সংশয় নেই। আদালতে গ্যালারি শো। সংবাদমাধ্যমে ছাপার কথা ভেবেই একথা বলা হচ্ছে। প্রকৃত তদন্তে কোনও আপত্তি নেই।


কবিগুরু আজ কাঁদছেন, আদালতে বিস্ফোরক মন্তব্য ইডির

একইসঙ্গে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ইডির অভিযোগ, অয়ন শীলের কাছ থেকে একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে এজেন্টের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ২৬ কোটি টাকা গিয়েছে। যদিও আদালতে সেই প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম বলতে চাননি ইডির আইনজীবী। তবে ইডির তরফে জানানো হয়েছে, কেস ডায়েরিতে ওই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।







