নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) চাঞ্চল্য। জানা গিয়েছে, বুধবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রেম প্রকাশের বাড়ি থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দুটি একে-৪৭ রাইফেল এবং ৬০টি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর পরিচিত অভিযুক্তের নাম প্রেম প্রকাশ (Prem Prakash)। এদিন অবৈধ খনির মামলায় (Illegal mine Case) প্রেম প্রকাশের বাড়িতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ বাস ভাড়া মামলায় হলফনামা দিতে দেরি রাজ্য সরকারের,জরিমানা করল হাইকোর্ট


ইডি-র গোয়েন্দারা, অবৈধ খনন মামলায় প্রেম প্রকাশের ঝাড়খন্ডের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় বলেছিলেন যে তারা একটি লোহার আলমারিতে রাখা দুটি একে -৪৭ খুঁজে পেয়েছেন। সূত্রের খবর, এই বেআইনি রাইফেল উদ্ধারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং সম্ভবত অস্ত্র আইনে প্রেম প্রকাশের বিরুদ্ধে আলাদা করে অস্ত্র আইন (Arms Act) মামলা দায়ের করা হবে।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রেম প্রকাশের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়েই তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। এদিন প্রেমের বাড়ি ছাড়াও অবৈধ খনির মামলায় ঝাড়খণ্ড, বিহার (Bihar), তামিলনাড়ু (Tamilnadu) ও দিল্লির (Delhi) একধিক ঠিকানায় অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। এই অভিযানে অবৈধ খনি মামলার প্রচুর নথি পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি ইডির। এছাড়াও একাধিক ব্যক্তি মুখ খুলেছে গোয়েন্দাদের কাছে।
অবৈধ খনির মামলায় ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও নজরে রয়েছে ইডির। এরমধ্যেই আজ ইডির আধিকারিকরা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, যে প্রেম প্রকাশ এবং হেমন্ত সোরেনের সাথে তার কথিত সম্পর্ক সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্যের পরে, তার বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। বেআইনি খনন মামলায় প্রেম প্রকাশের বাড়ি ছাড়াও ঝাড়খণ্ড, বিহার, তামিলনাড়ু এবং দিল্লি-এনসিআর-এ আরও ১৬টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সূত্রের খবর, এই মামলায় ইডি-র স্ক্যানারে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও।


মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে উদ্ধার জোড়া AK 47, বিরাট অভিযানে ED

প্রসঙ্গত, আগেই এই মামলায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সূত্রে খবর, সাম্প্রতিককালে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের থেকে মোট ১১.৮৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দেশের মোট ৩৭টি ব্যাঙ্কে ওই টাকা রাখা ছিল বলেও দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। অবৈধ খনির মামলায় সব মিলিয়ে এখনও অবধি ৩৬ কোটি ৫৮ লক্ষ বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।








