রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন শংকর আঢ্যের গোটা পরিবার এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের স্ক্যানারে। আদালতে বিস্ফোরক তথ্য জমা দিল এজেন্সি। মোট ২০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে ইডি জানিয়েছে মোট ৯৫টি বিদেশী মুদ্রা বিনিময় সংস্থার হদিশ মিলেছে। এই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই টাকাকে ডলারে রূপান্তর করে দুবাইতে চালান করেছিলেন শংকর।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক নিয়োগে স্বস্তিতে পর্ষদ, খারিজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ
শংকর ও তাঁর পরিজনদের নামে ৬টি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় সংস্থার সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। যার মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের। সেই সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত শংকরের আত্মীয়দের দিকে এবার নজর দিতে চলেছে ইডি। যার মধ্যে শংকরের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা তো রয়েছেনই, রয়েছেন ভাই, ভ্রাতৃবধূ এমনকী মা-ও।

শংকরের ভাই মলয় আঢ্যের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। মলয়ের স্ত্রী তানিয়া আঢ্যর নামে রয়েছে ত্রিনয়নী ফরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। মলয়ের নামে রয়েছে আঢ্য ফরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এই দম্পতির অঞ্জলি আইসক্রিম প্রাইভেট লিমিটেড নামেও গাইঘাটায় একটি কারখানা রয়েছে।

ইডির স্ক্যানারে শংকর আঢ্যের গোটা পরিবার, এবার চরম বিপাকে বনগাঁর ‘ডাকু’!
ইতিমধ্যেই মলয় আঢ্যকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছে ইডি। যদিও হাজিরা দেননি তিনি।দুর্নীতির টাকা বিদেশে পাচার করতে নানা পন্থা নিয়েছিলেন শংকর আঢ্য। মলয় ও তানিয়ার সংস্থা আঢ্য ফরেক্স প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশ হয়ে দুবাইসহ অন্যান্য জায়গায় টাকা পাচার হয়েছে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। কিছু ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে বিদেশ থেকে সোনা আনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।




