নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেল দিবসের কথা ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিজেপির কর্মীদের ওপর হামলাচলছে। এই অভিযোগে মঙ্গলবার সকালে রাজভবনে উপস্থিত হলেন সুকান্ত মজুমদার। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া গরু-কয়লা পাচার সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেও যাবে ইডি-সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ Biman Basu: মোদির মুখে সাভারকারদের নাম, চরম আপত্তি বিমানের


এদিন রাজ্যপাল লা গণেশনের সঙ্গে দেখা করে সুকান্ত বলেন, গতকাল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। যেভাবে একের পর এক মন্ত্রী, তৃণমূলের নেতারা চুরি, গরুপাচার এবং চাকা রাখার দায়ে ধরা পড়ছেন, তাতে আগামী দিনে হয়ত আরও বাড়বে। গণতান্ত্রিক ভাবে তৃণমূল সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে। বাংলার বাসে, ট্রামে চোর চোর শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হিংসাই একমাত্র আশ্রয় তৃণমূলের। গণতান্ত্রিক ভাবে লড়তে না পেরে, আদর্শের লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পেরে, পুলিশকে সামনে রেখে এই কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তখনই সাংবাদিকদের তরফে তোলা হয় অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের প্রসঙ্গ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত বলেন, সাগয়ল পুলিশের সাধারণ সাব ইনস্পেক্টর। তার পক্ষে এই চক্র চালানো সম্ভব নয়, যদি না রাজনৈতিক মদক থাকে পিছনে। তাই সাগয়ল যে চক্র চালাত, বকলমে তা অনুব্রতই চালাতেন। তাঁকে দায় নিতে হবে। অপরাধী যিনি সাজা পাবেন।
তাঁর সংযোজন, প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া গরু, কয়লা পাচার সম্ভব নয়। প্রশাসন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত আছে। মুখ্যমন্ত্রী জড়িত থাকলে ওঁর বাড়িতেও ইডি-সিবিআই যাবে।


মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেও যাবে ইডি-সিবিআই, জানালেন সুকান্ত

উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির পর পথে নেমে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে বিজেপির। এরপরেও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে নীচু স্তরের কর্মীরাও বিরোধী পক্ষের ওপর আক্রমণ শানিয়েছে।
গতকাল অনুপম মল্লিকের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন সুকান্ত। সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, আমরা আশঙ্কিত। তৃণমূল আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। গত বছর থেকে আমরা এই ঘটনা দেখে আসছি। আমাদেরও ধৈর্য্যের একটা সীমা রয়েছে। আমরা কিন্তু এরপর প্রতিরোধ গড়তে বাধ্য হব। এরপর বাংলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হবে।







