মহালয়া থেকেই পুজোর উৎসব! ইডেনে মেগা শো, ‘ট্রিবিউট টু মা’-য় মঞ্চ মাতাবেন শ্রেয়া-শানুরা

মহালয়া থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত বাংলায় একাধিক বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। ‘ট্রিবিউট টু মা’ ট্যুরে শ্রেয়া, শান, কুমার শানু, মোনালি ঠাকুর-সহ বহু শিল্পীর অনুষ্ঠান।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

মহালয়া থেকেই উৎসবের মেজাজে ডুববে বাংলা। দুর্গাপুজোকে ঘিরে এবার রাজ্যজুড়ে হতে চলেছে একের পর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তারই অন্যতম আকর্ষণ ‘ট্রিবিউট টু মা’ ট্যুর। কুমার শানু, শান, শ্রেয়া ঘোষাল থেকে মোনালি ঠাকুর—একঝাঁক তারকা শিল্পীর গানে জমে উঠবে পুজোর সন্ধ্যা।

নবান্ন সূত্রের খবর, বাংলার লোকসংস্কৃতি, সঙ্গীত এবং মা দুর্গার বন্দনাকে সামনে রেখে রাজ্যের পাঁচ জায়গায় এই বিশেষ সাংস্কৃতিক সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিষ্ণুপুর, নন্দীগ্রাম, শিলিগুড়ি, দুর্গাপুর এবং বহরমপুরে হবে অনুষ্ঠান। প্রতিটি জায়গায় দু’দিন করে মোট ১০ দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

কোন দিন কোন শহরে অনুষ্ঠান হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে পুজোর পঞ্চমীতে দিঘায় হতে চলেছে সবচেয়ে বড় মেগা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেখানে মোনালি ঠাকুর, মধুশ্রী, অন্তরা মিত্র, উজ্জ্বয়নী, জুন-সহ একাধিক শিল্পীর পারফরম্যান্সের পরিকল্পনা রয়েছে।

শুধু ‘ট্রিবিউট টু মা’ নয়, মহালয়ার দিন থেকেই কলকাতাতেও থাকবে একাধিক বড় আয়োজন। রেড রোডে রোড শো এবং ইডেন গার্ডেন্সে মেগা শোয়ের প্রস্তুতি চলছে। রাজ্য সরকারের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই বাড়ছে আগ্রহ। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতির কথাও বলা হয়েছে।

তবে পুজোর শেষেও থাকছে আরও বড় চমক। বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় গঙ্গার রিভারফ্রন্টজুড়ে বিশেষ আলোকসজ্জার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যাসাগর সেতু, হাওড়া ব্রিজ এবং হুগলি নদীর দুই পাড়কে সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি থাকছে নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ও ভিজ্যুয়াল আয়োজন।

আলোকসজ্জার সঙ্গে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের আতসবাজি এবং ড্রোন শো। ‘আবার আসবে উমা’ থিমে আকাশে ড্রোনের মাধ্যমে বিশেষ প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি গঙ্গাবক্ষে ভাসমান ট্যাবলো দেখানোরও পরিকল্পনা রয়েছে, যা রাজ্যে অভিনব আকর্ষণ হতে চলেছে।

বাবুঘাট, গোয়ালিয়র ঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট-সহ নদীপাড়ের বিভিন্ন এলাকায় দর্শকদের ভিড় জমবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিদ্যাসাগর সেতু থেকে বাবুঘাটের মধ্যবর্তী রিভারফ্রন্ট এলাকা জুড়ে আলোর এই উৎসব করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থাৎ এ বছর দুর্গাপুজো শুধু মণ্ডপ, প্রতিমা আর আলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। মহালয়ার সূচনা থেকে বিজয়া দশমীর সন্ধ্যা পর্যন্ত গান, লোকসংস্কৃতি, ড্রোন শো, আতসবাজি এবং নদীবক্ষে ভাসমান ট্যাবলো—সব মিলিয়ে বাংলাকে এক বড় সাংস্কৃতিক উৎসবের আবহে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন