নজরবন্দি ব্যুরো: দিওয়ালি মানেই আলোর উৎসব ৷ গোটা শহর, গোটা দেশ আলোয় সেজে ওঠে এই উৎসবে ৷ প্রত্যেকটি ঘর সেজে ওঠে প্রদীপের আলোয় ৷ আকাশে ওড়ে ফানুস, জ্বলে আকাশ প্রদীপ ৷ দিওয়ালির সময় ঘরে ঘরে মোমবাতি, প্রদীপ, জ্বালানোর পিছনে রয়েছে একটি গল্প ৷ সেই প্রচলিত গল্পকে মেনেই এখনও এই আলোর উৎসবে সেজে ওঠে গোটা দেশ-বিদেশ ৷
আরও পড়ুন: অয্যোধ্যার দীপোৎসবে সামিল মোদী, থাকছে ১৫ লক্ষ প্রদীপ এবং লেজার শো
দীপাবলির সজ্জায় তোরণ ও প্রদীপকে শুভ শক্তির প্রতীক মনে করা হয়। তবে বাস্তু অনুযায়ী দিক ও রঙ মাথায় রেখে কর্মক্ষেত্র ও বাড়ির সজ্জা করলে নিশ্চিত ভাবে শুভ পরিণাম লাভ করা যায়। এর ফলে আনন্দ, সাফল্য ও সমৃদ্ধির আগমন ঘটে। জেনেনিন কিভাবে প্রদীপ রাখলে ঘরের সমৃদ্ধির আগমন ঘটবে-
১. দীপাবলির পুজোয় গাওয়া ঘি, সরষের তেলের প্রদীপ জ্বালালে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। এর প্রভাবে বাড়িতে সমৃদ্ধির আগমন ঘটে এবং পরিবারের লোকেদের যশ ও প্রসিদ্ধি বৃদ্ধি পায়। বাস্তু অনুযায়ী পুজো স্থানের আগ্নেয় কোণে অখণ্ড প্রদীপ রাখা উচিত। এ দিকে প্রদীপ রাখলে অর্থ আগমন হয় এবং শত্রুদের পরাজিত করা যায়।

২. দীপাবলির দিনে লক্ষ্মী পুজোর প্রদীপ উত্তর দিকে রাখলে পরিবার ধন-ধান্যে ভরে থাকে। আবার সম-সংখ্যক প্রদীপ জ্বালালে শক্তির সংবহন নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তবে অসম সংখ্যার প্রদীপ জ্বালালে বাড়ির পরিবেশে ইতিবাচক শক্তির নির্মাণ হয়। এ কারণে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অসম সংখ্যার প্রদীপ জ্বালানো উচিত।
দিওয়ালিতে কিভাবে ঘরে প্রদীপ জালালে আসবে সৌভাগ্য, জেনেনিন এর নিয়ম

৩. দীপাবলিতে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে থাকি আমরা। তবে এই প্রদীপ যাতে পরিষ্কার হয় এবং কোথাও ভাঙা না-থাকে, সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন। যে কোনও পুজোয় ভাঙা প্রদীপ বর্জিত।
৪. গাওয়া ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে আশপাশের পরিবেশ রোগমুক্ত থাকে।
৫. আবার প্রদীপের শিখা উত্তর দিকে থাকলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। পূর্ব দিকের শিখা আয়ু বৃদ্ধি করে।



