নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগে নথি দেখে তারপর তাতে সন্তুষ্ট না হলে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে প্রস্তাব দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে, বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ বহালই থাকল। অর্থাৎ, প্রয়োজনীয় নথি ইডির দফতরে পাঠাতে হবে তৃণমূল সাংসদকে।
আরও পড়ুনঃ গ্যাসের দাম কমল আরও ১০০ টাকা, লোকসভার আগে কল্পতরু মোদী সরকার!


প্রসঙ্গত, নিয়োগ মামলায় ফের একবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে ইডি। দিন ছিল ৩রা অক্টোবর। কিন্তু সেদিন দিল্লিতে কর্মসুচি থাকায় হাজিরা এড়ান তৃণমূল নেতা। সেক্ষেত্রে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, ৩ অক্টোবরের তদন্ত প্রক্রিয়ায় যেন কোনও ব্যাঘাত যাতে না হয়। পাল্টা সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যান অভিষেক।

প্রথমে বুধবার সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি থাকলেও তা করা সম্ভব হয়নি। কারণ, আবেদনপত্রে মামলাকারী হিসাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর বাবার সই থাকা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই সই না থাকায় বিচারপতি জানিয়ে দেন, আবেদনে ত্রুটি রয়েছে। ফলে, মামলার শুনানি আজ হল।


আজ শুনানির ক্ষেত্রেও বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, সমনে কোনও স্থগিতাদেশ নয়। পাশাপাশি ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয়। তাই সেই সকল নথি ইডি-র কাছে জমা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
আগে নথি দেখে তারপর ডাকা হোক অভিষেককে, বিচারপতির সিনহার নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চে
অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে ইডি। আগামী সপ্তাহে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এর আগে অভিষেকের বাবা কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডেকেছে ইডি। ফলে, বলাই যেতে পারে এই মুহূর্তে ইডির স্ক্যানারে গোটা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার। যদিও অভিষেক আগেও বলেছেন, এক শতাংশ দুর্নীতি প্রমাণ হলে তিনি মৃত্যুবরণ করে নেবেন। এখন অভিষেক সহ তাঁর পরিবার ইডি-র দফতরে হাজিরা দেবেন কিনা সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।









